কোন মামলায় গ্রেপ্তার ইমরান খান, অভিযোগ কী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৯ মে ২০২৩ ০৮:০৫

কোন মামলায় গ্রেপ্তার ইমরান খান, অভিযোগ কী

Manual6 Ad Code

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) এর প্রধান ইমরান খান মঙ্গলবার বিকেলে দুটি শুনানির জন্য ইসলামাবাদ হাইকোর্টে (আইএইচসি) উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় আদালতের প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার হন।

ইসলামাবাদ পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) আকবর নাসির খান বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইমরানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ, পিটিআই প্রধান এবং তার স্ত্রী পিটিআই সরকারের সময় ৫০ বিলিয়ন রুপির মানি লন্ডারিং বৈধ করার জন্য একটি রিয়েল এস্টেট ফার্ম থেকে বিলিয়ন রুপি নিয়েছেন।

পুলিশ প্রধান আরও বলেছেন, ইসলামাবাদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। শহরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual3 Ad Code

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ বলেছেন, একাধিক নোটিশ জারি করেও আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হয়েছেন ইমরান। জাতীয় কোষাগারের ক্ষতি করার জন্য জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরোর মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইমরানকে নির্যাতন করা হয়নি।

Manual4 Ad Code

১ মে তারিখে এনএবি চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট-জেনারেল নাজির আহমেদ স্বাক্ষরিত ইমরানের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অনুলিপির বরাত দিয়ে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ডন জানিয়েছে, ইমরানের বিরুদ্ধে জাতীয় জবাবদিহি অধ্যাদেশ, ১৯৯৯-এর ধারা ৯(ক) এর অধীনে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আল-কাদির ট্রাস্ট মামলা কি?

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাকে আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইমরান খান তার মেয়াদে পাঞ্জাবের ঝিলামে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের জন্য একটি প্রকল্প স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি তার স্ত্রী বুশরা বিবি এবং বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী, জুলফিকার বুখারি এবং বাবর আওয়ান, এই প্রকল্পে জড়িত ছিলেন। তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করার জন্য ইমরান খান আল-কাদির ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট ট্রাস্ট গঠন করেন যাতে বিবি, বুখারি এবং আওয়ানকে পদাধিকারী হিসেবে নাম দেওয়া হয়।

Manual2 Ad Code

তৎকালীন পিটিআই সরকার এবং একজন সম্পত্তি ব্যবসায়ীর মধ্যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছিল, যা জাতীয় কোষাগারে ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতির কারণ বলে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ইমরান খান এবং অন্যান্য অভিযুক্তরা ৫০ বিলিয়ন রুপি সমন্বয় করেছে (সেই সময়ের ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড) যা ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) সরকারকে পাঠিয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে আল কাদির বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সোহাওয়ার মৌজা বাকরালায় ৪৫৮ একর জমির অযাচিত সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ