আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার রায়ের খবর

প্রকাশিত:সোমবার, ১৭ নভে ২০২৫ ০৬:১১

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার রায়ের খবর

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্ব দিয়ে শিরোনাম হয়েছে।

গত বছরের ছাত্র-জনতার নেতৃত্বাধীন জুলাই আন্দোলনে প্রাণহানি ও দমন-পীড়নের দায়ে সোমবার (১৭ নভেম্বর) এ রায় ঘোষণা করা হয়। ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে পলাতক আছেন এবং তার অনুপস্থিতিতেই বিচার সম্পন্ন হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির শিরোনামে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিলো আদালত।

Manual4 Ad Code

বিবিসি শিরোনাম করেছে, বিক্ষোভ দমনে নৃশংসতার দায়ে বাংলাদেশের সাবেক নেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

Manual1 Ad Code

আল জাজিরার শিরোনামে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড। সিএনএন শিরোনাম করেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের শিরোনামে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

Manual8 Ad Code

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু শিরোনাম করেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের পলাতক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

ব্রিটিশভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

Manual2 Ad Code

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির শিরোনামে বলা হয়েছে, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ জন্য বাংলাদেশে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

অপরদিকে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন শিরোনাম করেছে, শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনার মৃত্যুদণ্ড।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত বছরের ছাত্র আন্দোলনে দমন-পীড়নের নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে। এই মামলায় অভিযুক্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। আরেক অভিযুক্ত সাবেক পুলিশপ্রধান আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড করা হয়েছে তার স্বীকারোক্তিমূলক সাক্ষ্যের কারণে। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ