জগন্নাথপুরে শ্যামল গোপ কর্তৃক চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা – অভিযুক্ত লিটন মিয়ার সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫ ১১:০৬

জগন্নাথপুরে শ্যামল গোপ কর্তৃক চাঁদাবাজির অভিযোগ মিথ্যা – অভিযুক্ত লিটন মিয়ার সংবাদ সম্মেলন

Manual1 Ad Code

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, জমিয়ত নেতা লিটন মিয়া ও তার শ্যালক জামায়াত নেতা রেজাউল করীম রিপনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী শ্যামল গোপ কর্তৃক চাঁদাবাজি অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি।

Manual7 Ad Code

আওয়ামী লীগ দোসরদের প্ররোচনায় মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দাবি করে শনিবার রাত ৯ টায় জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রধান অভিযুক্ত লিটন মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে লিটন মিয়া বলেন, সম্প্রতি জগন্নাথপুর বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত শ্যামল গোপ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তার বিরুদ্ধে ও তার শ্যালক উপজেলার হলদিপুর-চিলাউড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহ সেক্রেটারি রেজাউল করীম রিপনের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় চাঁদাবাজির একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

Manual6 Ad Code

অপরদিকে, এই অভিযোগের কপি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রপাগাণ্ডা ছড়ায় বাড়ী জগন্নাথপুরের বাসিন্দা ফারুক মিয়া ও তার ভাই শফিকুল ইসলাম খেজর।

তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ী শ্যামল গোপ তিনির সহপাঠী ছিল। এমনকি তার পাশ্ববর্তী গ্রামের বাসিন্দা হওয়ার দীর্ঘদিন ধরে দুজনের সুসম্পর্ক ছিল। অর্থ সম্পর্কিত বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই লেনদেন হতো। সম্প্রতি লিটন মিয়া শ্যামল গোপের দোকানে গিয়ে ১০ হাজার টাকা ধার নেন। কিন্তু শ্যামল গোপের সাথে অন্যের একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে উভয়ের মধ্যে বিরোধ হয়। এরমধ্যে ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বিলম্ব হয়।

এই সুযোগে লিটন মিয়ার সাথে পূর্বে বিরোধ থাকা সুযোগসন্ধানী আওয়ামী লীগ দোসররা শ্যামল গোপকে প্ররোচনা দিয়ে তিনি ও তার শ্যালকের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করায়।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, জগন্নাথপুর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির বিগত নির্বাচনে সাধারণ ব্যবসায়ীদের বিপূল ভোটে সহ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পূর্বে কতিপয় আওয়ামী লীগ দোসররা একটি নির্বাচনের জেরে তার সহ সাধারণ সম্পাদক পদ জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। এমনকি বাজার ব্যবস্থাপনা কার্যালয় থেকে তার চেয়ার সরিয়ে নেয়। তার বিরদ্ধে পূর্বে আরেকটি মিথ্যা অভিযোগ করায়। তিনি বলেন, বাজারে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা তারা করেনি। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর তারা পালিয়ে যায়। তাদের ধারণা তাকে পূর্বে হেনস্তা করায় জুলাই বিপ্লবের পর জামায়াত নেতা শ্যালক রেজাউল করীম রিপনের কারণে পুলিশ তাদের পিছু নিয়েছে। কিন্তু মোটেও তা নয়। এদিকে, তাদের লোকেরা বিএনপি- জামায়াতের কিছু সংখ্যক নেতাকর্মীর সাথে আঁতাত করে নানা সুবিধা নিচ্ছে। ব্যবসায়ী শ্যামল গোপের সাথে দ্বন্দ্বের জেরে তিনি ও তার শ্যালকের সাথে নতুন খেলায় মেতে উঠেছে।

Manual3 Ad Code

লিটন মিয়া ও তার শ্যালক রেজাউল করীম রিপনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় তিনি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেন। এমনকি ডামি নির্বাচনে আওয়সমী লীগের অর্থের যোগানদাতা শ্যামল গোপ ও অন্যান্য ফ্যাসিবাদী দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ