দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২০ আগ ২০২৬ ০৮:০৮

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

Manual6 Ad Code

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বিএনপির এই প্রার্থী। তার প্রতিদ্বদ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।”

Manual4 Ad Code

এ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হতে যাচ্ছেন বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি মির্জা ফখরুল।

এর আগে দুপুর ২টা থেকে সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরপর প্রথমেই ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

Manual7 Ad Code

পরে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একে একে সংসদ সদস্যরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সাড়ে তিন দশকের মাথায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৃহস্পতিবার ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একানব্বইয়ের পর এবারই প্রথম একাধিক প্রার্থী ছিলেন। ফলে ভোট আয়োজন করতে হয় আইনের বাধ্যবাধকতা মেনে।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

মির্জা ফখরুল দলের চেয়ারপারসনের দীর্ঘ কারাভোগ-অসুস্থতা এবং ভাইস চেয়ারম্যানের প্রবাস জীবনের কঠিন সময়ে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল।

Manual5 Ad Code

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (অধুনা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) একজন সদস্য ছিলেন এবং সংগঠনটির এসএম হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের সময়ে তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ