১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:রবিবার, ২২ অক্টো ২০২৩ ০৯:১০
আশীষ দাশ গুপ্ত, লাখাই হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:- প্রতিবছের ন্যায় হবিগঞ্জে শারদীয় দূর্গা উৎসব চলাকালে অষ্টমীর তিতিতে রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর হবিগঞ্জের রাম কৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সপরিবারে দেখতে আসা ভক্তদের মধ্যে লাখাই প্রতিনিধি আমিও একজন বিভিন্ন জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কুমারী পূজা ঘিরে ছিল উৎসবমুখর।
বিভিন্ন বয়সের শত শত নারী পুরুষ দের ভিড় ছিল রামকৃষ্ণ মিশনে। নারী পুরুষের ভীড় সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও হীমসিম খাচ্ছে। শুরুতেই অনুষ্ঠানস্থলে আনা হয় দেবী দুর্গারূপে সজ্জিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবাজ পুরের বিপ্লব চক্রবর্তীর মেয়ে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী আকৃতি চক্রবর্তীকে।
লাল শাড়ী, পড়িয়ে দেবীর সাজে সজ্জিত করে ,মাথায় সুসজ্জিত মুকুট আর দু-হাতে পুষ্প নিয়ে আসনে বসেন কুমারী আকৃতি। এ সময় পুরোহিত সবার সামনে কুমারী পূজার মন্ত্রপাঠ করে পূজার কার্যক্রম করেন। সনাতন ধর্মীয় আচার-আচরণের মধ্য দিয়ে কুমারী মাতাকে দেবী রূপে বরণ করা হয়।
বরনের পরপর নিজ জেলা ও জেলার বাহির হতে আসা শতশত ভক্তরা উলুধনী ও জয় ধনীর মাধ্যমে কুমারী মাতাকে ভক্তি ভরে অঞ্জলি গ্রহণ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সনাতন ধর্মে দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই কুমারী পূজা। শাস্ত্রমতে, নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই দেবী দুর্গার রূপে এক থেকে নয় বছর বয়সী একজন কুমারীকে মাতা রূপে সাজানো হয়।
দুষ্টের দমন সৃষ্টির পালন মানুষের মধ্যে পশুত্বকে বিলীন করে নারীকে সম্মান জানানোই কুমারী পূজার মূল লক্ষ্য। প্রতিবছরের মতো এবারও কুমারী পূজা করতে হবিগঞ্জের রামকৃষ্ণ মিশনে উপস্থিত হন সনাতন ধর্মের শত শত অনুসারী ভক্তরা। সবার মাঝেই বিরাজ করে উৎসবের এক বিশাল আমেজ। হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরপত্তার মধ্যে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
Helpline - +88 01719305766