গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত:বুধবার, ২৯ এপ্রি ২০২৬ ০৯:০৪

গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার

Manual1 Ad Code

সুরমাভিউ:-  সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান বলেছেন, গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব।তিনি শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের জন্য শুধুমাত্র রাষ্ট্র নয়,ব্যাক্তি ও সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।তিনি বলেন,আমাদের আইন আছে,আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে।কিন্তু আমরা যদি নিজে থেকে সচেতন হয়ে যাই,তাহলে জনগণের সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমে শব্দদূষণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

বুধবার সকালে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৬” উপলক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় কর্তৃক আয়োজিত র্যালী পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Manual2 Ad Code

পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা: মো: শাহ কামাল।”উচ্চ শব্দ: পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ” শীর্ষক আলোচনা সভায় গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন,পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আফজারুল ইসলাম।

Manual5 Ad Code

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) পদ্মাসন সিংহ, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল, পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া আক্তার, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়, সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রাণী দাস, সিলেট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আশরাফুজ্জামান, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম সাইফুর রহমান তালুকদার, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সিলেটের সমন্বয়ক এডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার, পরিবেশ আন্দোলন কর্মী কাশমীর রেজা, পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মইনুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী তানিয়া ফেরদৌস প্রমুখ।

Manual8 Ad Code

সভায় বলা হয়, শব্দ দূষণ বর্তমান সময়ে অন্যতম পরিবেশগত সমস্যা। শব্দদূষণের কারণে নানা ধরনের শারিরীক ও মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হয়। এ সকল স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে প্রতিবছর এপ্রিলের শেষ বুধবার আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবস পালন করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশেও এ দিবস হিসেবে পালিত হয়। দিবসটি পালনের প্রধান লক্ষ্য হলো সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিক ও বিদ্যমান আইন কানুন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ