পরে শ্রমিকরা বিষয়টি পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. কালাম মিয়াকে অবহিত করলে তিনি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক সঞ্জিত দেব এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি শনাক্ত করেন।
তারা জানান, উদ্ধারকৃত সাপটি শঙ্খিনী (Banded Krait) প্রজাতির, যা বাংলাদেশের অন্যতম অত্যন্ত বিষধর সাপ হিসেবে পরিচিত।
সাপ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের স্থানীয় উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়। পরবর্তীতে দক্ষতার সঙ্গে সাপটিকে কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই উদ্ধার করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানান, শঙ্খিনী সাপ সাধারণত মানুষকে এড়িয়ে চললেও এটি অত্যন্ত বিষধর। তাই এ ধরনের সাপ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।