জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর: সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার, ০৫ আগ ২০২৬ ১২:০৮

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর: সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি : প্রধানমন্ত্রী

Manual8 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নয়, এটি বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষার সংগ্রাম সম্পর্কে অনুপ্রাণিত করবে।

আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে বিতাড়িত ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচন করবে। এটি আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সাহসকে জাতীয় স্মৃতিতে ধারণ করার একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ।’

তিনি বলেন, আজকের দিনটি দেশের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের আমলে গুম-খুনকে স্বাভাবিক করে ফেলা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষী, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র দেশে গণতান্ত্রিক শাসন মেনে নিতে পারেনি।’

Manual1 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি দেশের গণতন্ত্র, অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামের দলিল হয়ে থাকবে।

Manual6 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরে ফ্যাসিস্টি সরকারের নির্যাতন, ছাত্র-জনতার বিভিন্ন স্মৃতি ও দলিল ঘুরে দেখেন। তিনি জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হন।

Manual1 Ad Code

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস, বীর শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Manual8 Ad Code