১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ ০৩:০৫
স্টাফ রিপোর্টার, দিরাই (সুনামগঞ্জ):
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বাসুরী গ্রামে আদালতে বিচারাধীন একটি ভূমি নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মামলার বাদীকে অবগত না করে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠক আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর ধরে বাসুরী গ্রামের একটি ১৫ শতাংশ ভূমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, একই গ্রামের সালমা বেগম তার চাচার কাছ থেকে উক্ত জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ৬০ হাজার টাকার স্ট্যাম্পে বায়নাপত্র সম্পাদন করেন।
পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী জমির মালিক কাবিরুল রশীদ ও তার কেয়ারটেকার জমিরুল হোসেন বিভিন্ন প্রভাব ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ওই ১৫ শতাংশ জমির মধ্যে ৬ শতাংশ নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন বলে অভিযোগ করেন সালমা বেগম।
এ বিষয়ে সালমা বেগম দাবি করেন, উক্ত জমিতে তার পিতা মরহুম হাবিবুর রহমানের আইনগত মালিকানা রয়েছে। তিনি জমি ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়াকে অবৈধ উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে, কিছুদিন পর জমির ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যেও বিরোধ দেখা দিলে বিষয়টি ত্রিপক্ষীয় বিরোধে রূপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, চলমান মামলার বিষয়টি উপেক্ষা করে আজ বাদীকে না জানিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে।
বাদী সালমা বেগম বলেন,
“যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, সেহেতু আমাকে না জানিয়ে কীভাবে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। আদালতের বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ ধরনের সালিশ কার্যক্রম কোনোভাবেই বৈধ হতে পারে না।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বিচারাধীন কোনো বিষয়ে একতরফাভাবে সালিশ বৈঠক আয়োজন ভবিষ্যতে আরও জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
Helpline - +88 01719305766