১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ১১:০৬
সিলেট জেলা যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ইন্ধনের অভিযোগ ,তবে আসামির তালিকায় নেই।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় জায়গা দখল ও লুটপাটের ঘটনায় যুবদল নেতার ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৬০-৭০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।
মামলাটি দায়ের করেছেন দক্ষিণ সুরমার নবাব রোড এলাকার বাসিন্দা আবদুল হক। অভিযোগে বলা হয়, কদমতলীর মাহমুদ কমপ্লেক্স এলাকায় তাঁর পৈতৃক সম্পত্তিতে হামলা ও মালামাল লুটের ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও কর্মচারীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।
আবদুল হকের দাবি, এ ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন সিলেট জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমদ। মামলার এজাহারে তাঁর নাম ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ থাকলেও সরাসরি আসামির তালিকায় রাখা হয়নি।সরাসরি নাম রাখা হয়নি কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যুবদলের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় আমাদের জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা সরাসরি আসামী করিনি। তাছাড়া ইতিপূর্বে তিনি আমার ভাই বেলাল আহমদ কে আদালত প্রাঙ্গনে বলেন দল ক্ষমতায় আসলে জায়গা দখল রাখতে পারবেন না, আবার টিপু বক্স দখল নিবে বলেও মন্তব্য করেন।
এছাড়াও গুরুতর আহত ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ফয়জুল হক লখন সুরমা ভিউকে জানান, মকসুদ আহমদ অত্যান্ত সু-কৌশলে ঘটনার পূর্বে ঢাকায় গিয়ে ঐখানে থেকে তাদেরকে ঘটনা বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেন যাতে সবাই মনে করে এই ঘটনায় উনার কোন সম্পৃক্ততা নেই। সুত্রমতে জানা যায় টিপু, সাজাই মকসুদ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য।
বিষয়টি নিয়ে মকসুদ আহমদের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে মঙ্গলবার দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বুধবার একটি পক্ষ মামলা দায়ের করেছে। মামলার একজন আসামি সুলতান আহমদকে গ্রেফ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
Helpline - +88 01719305766