ইসরায়েলি বসতিতে হামাসের মুহুর্মুহু রকেট হামলা

প্রকাশিত:সোমবার, ০৭ এপ্রি ২০২৫ ০৯:০৪

ইসরায়েলি বসতিতে হামাসের মুহুর্মুহু রকেট হামলা

Manual2 Ad Code

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের আশদোদ শহরের দিকে রকেট হামলা চালিয়েছে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেড। রোববার রাতে এই হামলার কথা জানিয়েছে তারা।

Manual1 Ad Code

আল-কাসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ইসরায়েলি বাহিনী বেসামরিক মানুষের ওপর যেসব গণহত্যা চালাচ্ছে, তার জবাবে আমরা আশদোদের দিকে রকেট নিক্ষেপ করেছি।’

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, গাজা থেকে মোট ১০টি রকেট ছোড়া হয়েছে। এর কিছু রকেট ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত করা হয়েছে।

রকেট হামলার সময় আশদোদ, আশকেলন এবং আশেপাশের কয়েকটি এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে। আতঙ্কে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে দৌড়ায়।

ইসরায়েলি সংবামাধ্যম হারেৎজ এর প্রতিবেদনের বরাতে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো আশকেলন এবং গ্যান ইয়াভনে পড়েছে, যার ফলে কিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনজন সামান্য আহত হয়েছেন।

এদিকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নির্বিচার হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েল। সঙ্গে সেখানে এক মাস ধরে পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে রেখেছে দখলদাররা। এতে সেখানকার পরিস্থিতি ‘দমবন্ধকর’ হয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় অভিযান শুরু করে আইডিএফ। গত দেড় বছরে উপত্যকায় মোট নিহত ও আহতের সংখ্যা পৌঁছেছে যথাক্রমে ৫০ হাজার ৬০৯ জন এবং ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৩ জনে। এই নিহত এবং আহতদের ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

Manual4 Ad Code

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা।

Manual2 Ad Code

জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত ১৫ দিনে গাজায় নিহত হয়েছেন ১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ