১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:শনিবার, ৩০ সেপ্টে ২০২৩ ১০:০৯
সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সাত্তার ভূঞার মৃত্যু হয়েছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ শনিবার ভোররাত ৩টা ২ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৪ বছর বয়সী সাত্তারের মৃত্যু হয়।
আবদুস সাত্তার ভূঞার ছেলে মাইনুল হাসান তুষার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বাবা দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে এক সপ্তাহ আগে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল। শনিবার ভোর ৩টা ২ মিনিটে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।’
উকিল আবদুস সাত্তার ভূঞা নামে পরিচিত আলোচিত এই সংসদ সদস্য বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে চলতি বছর আলোচিত উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই উপ-নির্বাচনে তাঁকে জয়ী করে আনতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের তৎপরতা ছিল।
আবদুস সাত্তার ভূঞা ১৯৩৯ সালের ১৬ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ ভূঞা ও রহিমা খাতুনের সংসারে জন্ম নেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে আইনজীবী পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি পদে ছিলেন দীর্ঘদিন।
উকিল আবদুস সাত্তার ১৯৭৯ সালে তৎকালীন কুমিল্লা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ও জুনের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকার থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে তিনি আইন, মৎস্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য হিসেবে জয়ী হন আবদুস সাত্তার ভূঞা। ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারি তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
Helpline - +88 01719305766