রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার জামিন ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

প্রকাশিত:সোমবার, ০৮ মে ২০২৩ ০১:০৫

রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার জামিন ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত

Manual2 Ad Code

প্রায় এক দশক আগে সাভারের রানা প্লাজা ধসে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন ১০ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

Manual7 Ad Code

এর আগে গত ৬ এপ্রিল সোহেল রানার জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি শাহেদ নুরুউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করলে ৯ এপ্রিল চেম্বার বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী দুপক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ৮ মে পর্যন্ত স্থগিত করেন। একই সঙ্গে আবেদনটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।

Manual3 Ad Code

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনা ঘটে। এতে ভবনের নিচে চাপা পড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার পোশাক শ্রমিক। ওই ঘটনায় এক হাজার ১৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রায় দুই হাজার শ্রমিক আহত ও পঙ্গু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই হাজার ৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় সাভার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়ালী আশরাফ ভবন নির্মাণে অবহেলা ও ত্রুটিজনিত হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন— রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, রানার বাবা আব্দুল খালেক, রানার মা মর্জিনা বেগম, সাভার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কমিশনার হাজি মোহাম্মদ আলী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক (আর্কিটেকচার ডিসিপ্লিন) এ টি এম মাসুদ রেজা, প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসাইন, সাভার পৌরসভার মেয়র মো. রেফাতউল্লাহ, সাভার পৌরসভার সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপ-সহকারি প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাভার পৌরসভার সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম, লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আব্দুল মোত্তালিব, পৌরসভার সাবেক সচিব মর্জিনা খান, সাবেক সচিব মো. আবুল বাশার প্রমুখ।

Manual1 Ad Code

২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার বিজয়কৃষ্ণ কর ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ৫৯৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। পরের বছরের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান।

Manual3 Ad Code