বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হচ্ছে, গ্রেপ্তার তিন শতাধিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসে ২০২২ ১১:১২

Manual2 Ad Code

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। দলীয় কার্যালয়ে বিস্ফোরক সামগ্রী রাখা, পুলিশের ওপর হামলা এবং নাশকতার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা করবে। তবে মামলার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

নয়াপল্টনে বুধবার সংঘর্ষের পর পুলিশি অভিযানে বিএনপির তিনশতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮ জন কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। পুলিশ বলছে, তাদের বিরুদ্ধেও নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হবে। তাছাড়া যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে তাদেরকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার সকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশসন্) বিপ্লব কুমার সরকার ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘বিএনপির যেসব নেতাকর্মীকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। আবার কারো কারো বিরুদ্ধে আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল, তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে। তবে সবার নামেই নতুন করে মামলা হবে। তাছাড়া অনেককে অজ্ঞাত আসামি করা হবে।’

Manual8 Ad Code

পুলিশি অভিযানে আটক বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধেও মামলা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘আইনে শীর্ষ বলে কিছু নেই। আইনি ভাষায় যারা অপরাধী তারা গ্রেপ্তার হবেন, মামলা হবে। বর্তমানে পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে তাদের হামলায় (বিএনপি) আমাদের অনেক সদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনায়ও মামলা হবে।’

Manual5 Ad Code

বুধবার বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মী ও পুলিশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সকাল থেকেই নয়াপল্টন সড়ক দখলে নেয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। জড়ো হওয়া নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে বেলা ৩টার সময় লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। নেতাকর্মীরাও পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। মারমুখী হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় নয়াপল্টন এলাকা। মুহুর্মুহু টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপে কাকরাইল, বিজয়নগর, পল্টন, মতিঝিল, শান্তিনগর এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবহার করা হয় রায়টকার ও জলকামান।

এদিকে সংঘর্ষের সময় গুলিতে মকবুল হোসেন নামে একজন বিএনপি কর্মীর মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত অবস্থায় দলটির প্রায় ২০ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন। তাছাড়া দলটির সিনিয়র অনেক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

Manual7 Ad Code

একইদিন রাতে বিএনপি কার্যালয় থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেছে পুলিশ।