সিলেট পুলিশ সুপারের চমক

প্রকাশিত:শুক্রবার, ০২ সেপ্টে ২০২২ ০৯:০৯

সিলেট পুলিশ সুপারের চমক

Manual2 Ad Code

সুরমাভিউ:-  গত ০৩ আগস্ট ২০২২খ্রি: রাত অনুমান ১১.৩০ ঘটিকার সময় সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানাধীন সালুটিকর তদন্ত কেন্দ্র অধীন রাণীগঞ্জের বাসিন্দা মো: রিয়াজ উদ্দিন (২৭) তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বড় ভাইয়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সামসুদ্দিন ভেরাইটিজ স্টোরে যাওয়ার পথিমধ্যে সিলেট টু ভোলাগঞ্জ সংলগ্ন স্থানে দুটি মোটরসাইকেল যোগে ৩/৪ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা পয়সা লুটে নিয়ে যায়।

Manual2 Ad Code

ঘটনা সংক্রান্তে ব্যবসায়ী মো: রিয়াজ উদ্দিন গোয়াইনঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে গোয়াইনঘাট থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৪/০৮/২০২২খ্রি: মূলে একটি দস্যুতা মামলা রুজু করা হয়।

Manual1 Ad Code

মামলাটি দীর্ঘদিন থানা পুলিশের নিকট তদন্তাধীন থাকার পর সিলেট জেলার নবাগত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন মামলাটির প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর) এর নিকট হস্তান্তর করেন। জেলা গোয়েন্দা শাখার চৌকস টিম বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ০২ সেপ্টেম্বর ২০২২খ্রি: ভোরে সিলেট শহরের বিভিন্ন এলাকা হতে যথাক্রমে ইসতিয়াক আহমেদ রাজু (৩১), পিতা: মৃত আব্দুর রহমান, শামীম আহমদ (৩০), পিতা: মৃত তজম্মুল আলী, সৈয়দ মুহিত আহমদ রনি (৩০), পিতা: আব্দুল কাদের, শুভ রহমান (১৯), পিতা: মৃত সাদিকুর রহমান-গণকে আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদে সকলে গোয়েন্দা পুলিশের নিকট ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকার করে। আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামী শামীম আহমদ এবং শুভ রহমান বিজ্ঞ আদালতের নিকট স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি ও মিডিয়া) মোঃ লুৎফর রহমান জানান, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিদের্শনা অনুসারে জেলা গোয়েন্দা শাখার কার্যক্রম গতিশীল করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আসামীদের পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপরাধের সাথে আর কারো সংশ্লিষ্টতা ছিল কিনা সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ