|
প্রকাশিত:Monday, 02 Nov 2026 10:11
হবিগঞ্জের মাধবপুরে আলোচিত মহব্বত আলী (৩৯) হত্যা মামলার দীর্ঘ তিন বছর পর চাঞ্চল্যকর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
একটি ফোনালাপের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন হয়। পুলিশের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ক্ষোভের জেরে মহব্বতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে জুলাই মাসে উপজেলার রামনগর গ্রামের ভুক্তভোগী মহব্বত আলীর সঙ্গে অভিযুক্ত শাহ আলমের ভাতিজির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে মহব্বত শাহ আলমের স্ত্রী জাহানারা বেগমের সঙ্গেও সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে শাহ আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হন। পরে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩০ জুলাই মহব্বতকে নিজেদের বাড়িতে ডেকে আনেন জাহানারা বেগম। বাড়িতে লোকজন আসার অজুহাতে তাঁকে একটি ওয়ারড্রবের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে ওয়ারড্রবের ভেতরেই শ্বাসরোধে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে গত শুক্রবার মহব্বতের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘ তিন বছর ঘটনাটি আড়ালে ছিল। সম্প্রতি এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে ঝগড়ার সময় শাহ আলম বলেন, ‘মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু।’ ওই ফোনালাপের অডিও রেকর্ড ডিবির হাতে পৌঁছালে তদন্তে নতুন সূত্র মেলে।
মাধবপুর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, একটি ফোনালাপের রেকর্ডের সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ডের সূত্র মেলে। পরে অভিযুক্তদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
এরপর গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—একই গ্রামের শাহ আলম (৩৪), তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩৪), প্রতিবেশী জয়নাল মিয়া (২১) ও ইয়াছিন মিয়া (২৪)। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেপটিক ট্যাংক থেকে মহব্বতের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
মোবাইলঃ০১৭১১৩৩১০৭০-০১৬১১২৪৭৫৭৪
ই-মেইলঃ surmaview24@gmail.com
অফিস :৮০ তপোবন মেইন রোড আখালিয়া সিলেট-৩১০০।
Helpline - +88 01719305766