ইরানে সামরিক হামলার প্রতিবাদে সিলেটে বাসদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ ০৯:০৩

ইরানে সামরিক হামলার প্রতিবাদে সিলেটে বাসদের বিক্ষোভ

Manual4 Ad Code

সুরমাভিউ:-  ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল সামরিক হামলা ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ।

Manual4 Ad Code

সমাবেশ থেকে অবিলম্বে ইরান, ফিলিস্তিনসহ সব সামরিক আগ্রাসন বন্ধ, কূটনৈতিক সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।  ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ নিহত সকলের প্রতি শোক জানানো হয়।

Manual1 Ad Code

আজ পহেলা মার্চ রবিবার দুপুর ২ টায় সাপ্লাই রোডস্থ সংগঠনের কার্যালয়ের  সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাসদের জেলা নেতা জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন।

Manual4 Ad Code

বাসদ জেলা সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পালের পরিচালনায়  সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাসদের জেলা সদস্য নাজিকুল ইসলাম রানা, শ্রমিক ফ্রন্ট জেলা সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান,  জাহেদ আহমেদ, সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুসেন মিয়া,  মাহফুজ আহমদ, চারণের জেলা সদস্য মেঘদাদ প্রমুখ।

সমাবেশে বাসদ নেতৃবৃন্দ বলেন, ইরানের ওপর এই বর্বর হামলা কেবল একটি আঞ্চলিক সামরিক ঘটনা নয়; এটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর আধিপত্যবাদী রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। বিশ্ব পুঁজিবাদ যখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাজার সংকোচন ও অভ্যন্তরীণ সংকটে বিপর্যস্ত, তখন তার স্বাভাবিক প্রবণতা হলো নতুন বাজার দখল, সম্পদ লুণ্ঠন ও কৌশলগত ভূখণ্ড দখলের মাধ্যমে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা। মধ্যপ্রাচ্য সেই সম্পদ লুণ্ঠন ও ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দু। ইরানকে দখল করার মধ্য দিয়ে নৌবাণিজ্য তথা তেল পরিবহনের বড় রুট হরমুজ প্রণালীর উপর  সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য-কর্তৃত্ব কায়েমের অভিপ্রায়ে এই আগ্রাসন চালানো হয়েছে।

বক্তারা বলেন, মার্কিনীরা কিছুদিন আগে ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ লুণ্ঠনে উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অন্তরীণ করে রেখেছে। ইতিপূর্বে পানামা খালের নিয়ন্ত্রণের জন্য সেদেশের প্রেসিডেন্ট নরিয়েগাকেও অপহরণ করে নিয়েছিল।

Manual7 Ad Code

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইরানে চলমান উত্তেজনা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনাকে উসকে দিচ্ছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সাম্রাজ্যবাদী প্রতিদ্বন্দ্বিতা যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তখন তার পরিণতি হয় ভয়াবহ বৈশ্বিক সংঘাত।

এই বাস্তবতায় নিরপেক্ষতা বা নীরবতা কোনো সমাধান নয়; বরং তা আগ্রাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার সামিল। দেশে দেশে শ্রমজীবী মানুষ, প্রগতিশীল শক্তি ও যুদ্ধবিরোধী সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল আম্বরখানা এসে শেষ হয়।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ