২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৬ আগ ২০২৪ ১০:০৮
সিলেটে মন্ত্রী, এমপি এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাসা-বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং ভাংচুর হয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবরের পরপরই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের বাসভবন, থানা ও পুলিশ ফাঁড়িসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
সোমবার (৫ আগস্ট) দুপুর ৩টার পর থেকে এসব হামলা শুরু হয়। ভয়-আতঙ্কে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিন বিকালের দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও লুটতরাজ হয়।
সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও সিলেট জেলা পরিষদের ২ বারের নির্বাচিত সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান -১, এর বাড়িতে বিকেলবেলা সংঘবদ্ধভাবে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়, এ সময় গ্যারেজে থাকা গাড়ি, মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করে ও আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালায়। বাড়ির মূল্যবান আসবাবপত্র এবং দোতলার জানালার গ্লাস সমস্ত ভেঙ্গে ফেলে এবং মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে নিয়ে যায় ।
এ সময় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: মতিউর রহমান, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সদস্য ও সন্ত্রাস দমন আইনের স্পেশাল পিপি এডভোকেট মমিনুর রহমান ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো: এবাদুর রহমান কে না পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিতে থাকে। তাদেরকে পেলে জীবননাশের হুমকি দিয়ে যায়। বাড়িতে থাকা নারী ও শিশুদের আর্ত চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়। সন্ত্রাসীদের ভয়ে পুরো পরিবার এখন বাড়ি ছাড়া।
এছাড়াও (৫ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে নগরের বন্দরবাজার এলাকায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। এরপর পাশেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়, জেলা পরিষদ ভবনে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ চালানো হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থাকা বেশ কয়েকটি বাড়িও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। একই সময়ে আরেকটি দল নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় পুলিশ সুপারের বাসায় আগুন দেয়।
Helpline - +88 01719305766