মাগুরায় শিশু ‘ধর্ষণ’: প্রধান আসামি ৭ দিন, বাকিরা ৫ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫ ১০:০৩

মাগুরায় শিশু ‘ধর্ষণ’: প্রধান আসামি ৭ দিন, বাকিরা ৫ দিনের রিমান্ডে

Manual2 Ad Code
মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া আট বছরের শিশুকে ‘ধর্ষণের’ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিটু শেখের ৭ দিন এবং বাকি তিন আসামির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রবিবার (৯ মার্চ) গভীর রাতে মাগুরার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মতিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Manual5 Ad Code

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, রবিবার সকাল থেকে প্রায় দিনভর মাগুরা শহরে শিশু ধর্ষণে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বেলা ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মূল গেট অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর সেখান থেকে সরে গিয়ে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভায়না মোড় মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। সন্ধ্যার পর শহরে আবার মশাল মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। এমন পরিস্থিতিতে আসামিদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকায় তাদের আদালতে হাজির করতে পারেনি পুলিশ। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাত ১২টার পর শুরু হয় রিমান্ড শুনানি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। এ সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেননি। আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিলে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা। রিমান্ড না দেওয়ারও দাবি করেন তারা।

Manual4 Ad Code

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভুক্তভোগী শিশু অচেতন থাকায় জবানবন্দি নেওয়া যায়নি। ফলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলার মূল অভিযুক্তকে সাত দিন এবং অন্য তিন আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

Manual4 Ad Code

উল্লেখ্য, মাগুরা শহরতলির নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। শিশুটি বর্তমানে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় গত শনিবার শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাগুরা সদর থানায় মামলা করেন। এতে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে প্রধান এবং বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়েছে। তারা আগে থেকেই পুলিশের হেফাজতে ছিলেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Manual4 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ