ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে – জি কে গউছ

প্রকাশিত:শুক্রবার, ০৮ নভে ২০২৪ ০৬:১১

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে – জি কে গউছ

Manual2 Ad Code

নুরুজ্জামান ফারুকী হবিগঞ্জ:-  বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ জি কে গউছ বলেছেন- আওয়ামীলীগ এবং গণতন্ত্র এক সাথে যায় না। আওয়ামীলীগ যখনই সুযোগ পেয়েছে দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। এই অপকর্মের দায়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানে শেখ হাসিনা এক কাপড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

Manual5 Ad Code

তিনি বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর)রাতে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।

সভায় জি কে গউছ আরও বলেন- বাংলাদেশ যখনই বিপদের মুখোমুখি হয়েছে তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বুক ফেতে দিয়েছেন কিছু ফেরত পাওয়ার আশায় নয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যুদ্ধ করেছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন। স্বাধীনতা এনে দিয়ে তিনি আবার ব্যারাকে ফিরে গিয়েছেন। একজন নিঃস্বার্থ রাজনীতিবিদের উদাহরণ হচ্ছে জিয়াউর রহমান। অথচ যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেনি, যারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল, পাকিস্তানের কারাগারে মেহমানদারী করেছে, তারা ফিরে এসে এই স্বাধীন দেশটাকে বিরান ভূমিতে পরিণত করেছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমেই বাকশালী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রা করা হয়েছিল। এই দিন তৎকালীন সেনাপ্রধান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশকে এক অচলাবস্থা থেকে রক্ষা করেছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে মাথা উচুঁ করে দাড়িয়েছে। শুরু হয়েছিল বহুদলীয় রাজনীতির ধারা। তিনি দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়ন ও উৎপাদনে শীর্ষে পৌছে দিয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন।

Manual2 Ad Code

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, ইসলাম তরফদার তনু ও হাজী এনামুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান চৌধুরী ফারছু, সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট শামছু মিয়া চৌধুরী, এডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন, গোলাম মস্তফা রফিক, এমজি মোহিত, পিপি এডভোকেট আব্দুল হাই, পৌর বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম চৌধুরী ফরিদ, গিরেন্ড চন্দ্র রায়, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, জেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি এডভোকেট মুদ্দত আহমেদ, এডভোকেট আফজাল হোসেন, হাবিবুর রহমান, এস এম আউয়াল, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, দেওয়ান মুহাইমিন চৌধুরী ফুয়াদ, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ, সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মফিজুর রহমান বাচ্চু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক শরীফ, এডভোকেট গুলজার খান, মর্তুজা আহমেদ রিপন, সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, নুরজাহান বেগম, শিমু চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মাহবুব, নজরুল ইসলাম কাওছার, সাইফুল ইসলাম রকি, রাকীব আহমেদ প্রমুখ।

Manual6 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ