সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৮টা ৩৫ মিনিটে মৌলভীবাজার শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় দেউয়ান শাহেল গাজীর বসতবাড়ির গেটের সামনে এক নারীর কাছ থেকে তিনজন ব্যক্তি জোরপূর্বক দুইটি স্বর্ণের ব্রেসলেট, দুইটি স্বর্ণের আংটি, একটি স্বর্ণের চেইন ও এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল নিয়ে যায়।
ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সামসুল ইসলামকে শনাক্ত করে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সামসুল ইসলাম ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের থানার রেকর্ডপত্র, পিসিপিআর ও সিডিএমএস পর্যালোচনা করে জানা যায়, সামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট, শাহপরাণ (রহ.) ও কোতোয়ালি মডেল থানা, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানা এবং হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় মোট সাতটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার সামসুল ইসলাম ওরফে ‘কাউয়া সামসু’ সিলেট জেলার শাহপরাণ (রহ.) থানার দত্তগ্রাম (খিদিরপুর) এলাকার মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে।