২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:বুধবার, ০৫ আগ ২০২৬ ০৯:০৮
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, ছাত্র সংসদ প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের ওপর পরিচালিত ধারাবাহিক সহিংসতার পেছনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের উসকানি ও পরোক্ষ মদদ রয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত ৯টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নূরুল ইসলাম এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রধান প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা করা হচ্ছে। বিচারহীনতা ও প্রশাসনিক কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই এই হামলাকারীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে, যা ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী গণতান্ত্রিক ও সহনশীল পরিবেশ গঠনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের আবাসন ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের যৌক্তিক আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থী, সাধারণ সাংবাদিক ও ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানায় সংগঠনটি।
সহিংসতায় জড়িতদের দ্রত গ্রেফতার ও উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়ে সভাপতি নূরুল ইসলাম ৩ দফা দাবি পেশ করেন:
আহত ছাত্র ও গণমাধ্যমকর্মীদের যাবতীয় চিকিৎসাসেবার ব্যয় সরকারকে বহন করতে হবে।
ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ভেতরের আবাসনব্যবস্থায় অনতিবিলম্বে নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরের দৃশ্যমান পদক্ষেপ কার্যকর করতে হবে।
নূরুল ইসলাম হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়ে শক্তি প্রদর্শনের পরিণতি কখনই ভালো হয় না এবং তা হামলাকারীদের জন্যই বুমেরাং হবে। বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যেভাবে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে, সে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
Helpline - +88 01719305766