৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:রবিবার, ২১ সেপ্টে ২০২৫ ১২:০৯
সুরমাভিউ:- সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার আফতাবনগর ইউনিয়নের খাইমতর এলাকায় উড়াই বিলের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির সি এন আর এস কর্তৃক রুপনকৃত গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় লোকের বিরুদ্ধে এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন খাইমতর গ্রামের মৃত আব্দুল খালিকের ছেলে ইকবাল হোসেন।
স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায় উরাই বিল নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে একটি চক্র নানাভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বিষয়টি নিয়ে গ্রামের সালিশি ব্যক্তিদের নিয়ে অনেকবার সমাধানের চেষ্টা করা হয় কিন্তু এলাকার সাবেক মেম্বার ফজলুল হক নানাভাবে বিষয়টিকে ফুসলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। উড়াই বিলে সি এন আর এস কর্তৃক রুপঙ্কৃত গাছ সাবেক মেম্বার ফজলুল হকের কথায় কেটে নেয় বিলের কিছু সদস্য। এ বিষয়ে গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এই লিখিত অভিযোগ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে জমা দেওয়া হয়।
অভিযুক্তরা হলেন খাইমতর গ্রামের আব্দুল হেকিম, সুমন আহমেদ, জাহাঙ্গীর আলম, আফাজ উদ্দিন, মখলিছ মিয়া, জমির উদ্দিন, আমির উদ্দিন, জুনেদ আহমেদ, তাজ উদ্দিন এবং আব্দুস সামাদ। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা তাদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই উড়াই বিলের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ১০/১২ টি গাছ কেটে নেয়। গাছ কাটায় গ্রামের লোকজন বাধা নিষেধ করলে, অভিযুক্তরা হুমকি ধমকি প্রদান করে। এই গাছগুলো কেটে নেওয়ায় এলাকার সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের পাশাপাশি পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর। বিষয়টি নিয়ে সাবেক মেম্বার ফজলুল হকের সাথে কথা বল্লে তিনি জানান বিষয়টি আমার উপর একটি প্রবাাগান্ডা উরাই বিল নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ বেশ কিছু মামলা মোকদ্দমা রয়েছে আমি গাছ কাটার বিষয়টি অনেক পরে জানতে পেরেছি কিন্তু একটি পক্ষ গাছ কাটা নিয়ে অভিযোগ করেছেন গাছ কাটলে ফাঁসি তো হবে না দেখা যাক কি হয়। মামলা আপসের শর্তে একটি পক্ষের সাথে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নিয়ে লিখিতর মাধ্যমে ফয়সালা হয়েছিল। মামলা না তোলায় আর সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা জেরিন বলেন, অভিযোগের কাগজটি হাতে পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেব।
Helpline - +88 01719305766