১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৮ জুলা ২০২৫ ১২:০৭
সিলেটে পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি সকাল থেকে শুরু হয়েছে। চলমান ধর্মঘট এ একাত্বতা ঘোষণা করেছে খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন ও পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
মঙ্গলবার (৮জুলাই) সকাল ৬ টা থেকে সিলেটে পাথর কোয়ারি খোলে দেয়া সহ ৬ দফা দাবিতে পালিত হচ্ছে শ্রমিক কর্মবিরতি। এই কর্ম বিরতির ফলে রাস্তায় কোন ইঞ্জিন চালিত গণপরিবহন ছিল না। তাই কার্যত সড়ক যোগাযোগ অচল হয়ে পড়েছে।
সিলেট বিভাগীয় সড়কপরিহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ মঙ্গলবার থেকে এই পরিবহন শ্রমিকদের কর্ম বিরতির আহবান করে।
সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের দবি সমুহ হলো, তাদের ৬ দফা দাবিগুলো হলো সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ ধারা প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার বাস-মিনিবাসের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং ট্রাক পিকআপ কাভার্ডভ্যান ২৫ বছর, সিএনজি ও ইমা লেগুনা এর ক্ষেত্রে ১৫ বছর ইকোনোমিক লাইফ নির্ধারণ করার প্রজ্ঞাপন বাতিল করা, সিলেটের সকল পাথর কোয়ারীর ইজারা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও সনাতন পদ্ধতিতে বালু মহাল এবং পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়া, বিআরটিএ কর্তৃক সকল গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বাতিল ও গণ পরিবহন ও পণ্য পরিবহনের উপর আরোপিত বার্ধিত টেক্স প্রত্যাহার করা, সিলেটের সকল ক্রাশার মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করন বন্ধ, বিদ্যুৎ মিটার ফেরত ও ভাংচুরকৃত মিলের ক্ষতিপূরণ এবং গাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া পাথর ও বালুর ক্ষতি পূরণ দেওয়া, সিলেটের পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ও ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদকে অবিলম্বে সিলেট থেকে প্রত্যাহার করা ও সড়কে বালু ও পাথরবাহী গাড়িসহ সকল ধরনের পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের হয়রানী বন্ধ করা।
খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন বলেন, পাথর কোয়ারী বন্ধ এবং ধুপাগুল এলাকার ক্রাশার মিল এর বিদ্যুৎ মিটার বিচ্ছিন্ন করায় এলাকায় চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ জন বেকার হয়ে পরেছে। অনতিবিলম্বে পরিবহন শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ার আহবান জানান চেয়ারম্যান দিলোয়ার হোসেন।
Helpline - +88 01719305766