জগন্নাথপুরে ভুয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখিয়ে ছুটির আবেদন! পড়ে খেলেন ধরা

প্রকাশিত:বুধবার, ৩০ অক্টো ২০২৪ ০৭:১০

জগন্নাথপুরে ভুয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখিয়ে ছুটির আবেদন! পড়ে খেলেন ধরা

Manual4 Ad Code

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:-  সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতি অন্যায়কে ন্যায় করা হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে। এক যৌতুক ও নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলার পলাতক আসামী সহকারী শিক্ষক দিপক দাস ডাক্তারের কাছে না আসে অন্য লোককে দিয়ে রোগী বানিয়ে ডাক্তারি মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে ছুটি কাটালেন এক সহকারী শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে জগন্নাথপুর উপজেলায়।

Manual6 Ad Code

জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসারের সাথে প্রতারণা করে দ্বিতীয়বারের মতো সার্টিফিকেট নিয়ে ছুটি আবেদন জমা করেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে। ভেবেছিলেন প্রতারণা করে মেডিকেল সাটিফিকেট নিয়ে ছুটি কাটাতে পারবেন। কেউ ধরতে পারবে না আর তাতেই ধরা খেলেন জগন্নাথপুর উপজেলা পাটলী ইউনিয়নের কছুর কান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দিপক দাস। গত ২২/৯/২৪ তারিখ থেকে ২১/১০/২৪ তারিখ ডাক্তারের সাথে অন্যব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক দিপক দাস বানিয়ে প্রতারণা করে মেডিকেল সাটিফিকেট নিয়ে মেডিকেল ছুটি নিয়েছেন। গত ২২/১০/২৪ তারিখ একই কায়দায় আবারও এক মাসের অসুস্থতার ছুটি নেওয়ার জন্য এক জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ মোঃ বদরুদ্দোজা উজ্জল এর কাছ থেকে অন্য লোককে দীপক সাজিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়েছেন।। চরম অসুস্থতার কারণে অসুস্থতার ছুটির আবেদন করেছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে। জগন্নাথপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাঃ মোঃ বদরুদ্দোজা উজ্জল তার সাথে প্রতারণা করে দ্বিতীয়বার আমাদের সার্টিফিকেট নিয়েছে জানতে পেরে তিনি জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে লিখিত দিয়েছেন,তিনি উল্লেখ করেন যে গত ২১/১০/২৪ ইং তারিখে আমার কাছ থেকে একজন সহকারী শিক্ষক দিপক দাস নামে মেডিকেল সার্টিফিকেট নেওয়া হয়েছে। তিনি জানতে পারেন সহকারী শিক্ষক দিপক দাস যৌতুক ও নারী শিশু নির্যাতন আইনে মামলা পলাতক আসামী। ভুয়া তথ্য দিয়ে সার্টিফিকেটটা সংগ্রহ করে।

Manual6 Ad Code

সেই সার্টিফিকেটটি কার্যকর না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষা অফিসার কে।

Manual5 Ad Code

সংবাদসূত্রে জানা গিয়েছে, সহকারী শিক্ষক দিপক দাস চেয়েছিলেন অফিসে যাতে তার কাজের কোনও খারাপ প্রভাব না পড়ে। তাঁর সম্পর্কে খারাপ মনোভাব যাতে তৈরি না হয়, সেই চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। আর এই কারণে এমন একটি অন্যজন কে দিপক দাস সাজিয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে ছুটি আবেদন জমা করেছিলেন অফিসে।
ডাঃ মোঃ বদরুদ্দোজা উজ্জল বলেন আমি জানতাম না সহকারী শিক্ষক দীপক দাস। যৌতুক ও নারী শিশু নির্যাতন আইনে পলাতক আসামী, অন্য একজন লোক দীপক দাস সাজিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে যায়। আমি শিক্ষা অফিসে লিখিত দিয়েছি সাটিফিকেটি কার্যকর না করার জন্য।

জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ এর সাথে কথা বলতে গেলে দ্রুত মিটিং আছে বলে দৌড়ে চলে যান।

Manual2 Ad Code

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুব হক বলেন কাগজ পেয়েছি,ব্যবস্তা নেওয়া হবে।।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ