২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ০৭:০৬
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:- সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মারামারির ঘটনায় থানায় মামলা করার দায়ে বাদীর ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে আসামিরা। গত ৩০মে উপজেলার ভোলাগঞ্জ তিন তলা নামক স্থানে হোসেন মিয়াকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে জিলানী ও ইয়াহিয়া সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। আহত হোসেন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এ ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় হোসেন মিয়ার পিতা মঙ্গল মিয়া বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ২০মে ভোলাগঞ্জ পর্যটন বাজারে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটে। ঐ ঘটনায় ভোলাগঞ্জ রুস্তুমপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়া বাদী হয়ে জিলানী, ইয়াহিয়া ও তার ভাইদের আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে বাদীর ছেলেদের খুন করার হুমকিধামকি দিয়ে আসছে আসামিরা। গত ৩০মে সন্ধ্যায় বাদীর ছেলে হোসেন মিয়াকে তিন তলা নামক স্থানে পেয়ে আসামিরা কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয় আসামি ইয়াহিয়া ও জিলানীর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন ৪টি নাম্বার বিহীন মোটর সাইকেলযোগে মাথায় ক্যাপ, কালো চশমা ও পুলিশের পোষাকের ন্যায় কটি পরিধান করে রুস্তুমপুর তিন তলা শহীদ মার্কেটের সামনে বাঁশি বাজাইয়া পিস্তল ও এয়ারগান দিয়ে জিলানী গুলি ছুঁড়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে হোসেন মিয়াকে মারধর করে। এসময় হোসেন মিয়া দৌড়ে শহীদ মর্কেটের পিছনের দিকে চলে গেলে আসামীরা তাকে চারদিক থেকে ঘেরাও করে কাঁদার মধ্যে ফেলে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য রামদা চাকু ও পিস্তল দিয়ে আক্রমণ করে। তাদের আঘাতে হোসেন মিয়ার বামহাতের হাড্ডিসহ কেটে যায়। এছাড়া তার ঘাড় ও পাজরে রামদা এবং চাকুর আঘাতে মারাত্মক জখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে সে হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই ওলী উল্লাহ জানান আমরা আসামিদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
Helpline - +88 01719305766