বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি সুনামগঞ্জ জেলার সম্মানিত নবীন সদস্যবৃন্দের বরণ ও অবসরপ্রাপ্তদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
প্রকাশিত:শনিবার, ২৭ ডিসে ২০২৫ ০৬:১২
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:- বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি সুনামগঞ্জ জেলার সম্মানিত নবীন সদস্যবৃন্দের বরণ ও অবসরপ্রাপ্তদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ২ টায় সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আয়েশা আক্তার।
মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ইয়াসিন আরাফাত, সদর উপজেলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আধিত্য পাল।
এ ছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা সার্ভেয়ার সমিতির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন, সোনালী ব্যাংক অফিসার মো. আবুল ফজল।
এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি শওকত আলী ও মিলি রাণী নাথ।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অজিত চন্দ্র দাস ও রেবুল কুমার দাস।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শেষে মরনোত্তর ও অবসরপ্রাপ্ত ৬৬ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে অতিথিদের মধ্যে সম্মাননা দেয়া হয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, ভূমির সেবা পেতে মানুষ যেভাবে আপ্লুত থাকে, আবেগতাড়িত থাকে, মনের ভেতর এক ধরণের তাড়না থাকে তাদের। যে আমি হয়তো এই সঠিক সেবাটি পাচ্ছি। সেবা গ্রহিতার এই বিষয়টি মনে রেখে কাজে মনোযোগী হতে হবে।
তিনি বলেন, সকলে মনে রাখতে হবে, ভূমি মন্ত্রণালয় হলো প্রশাসনের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, সরকারী স্বার্থ আছে এমন ভূমিগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে আপনাদের কেউ অংশীদার হবেন না। এমন ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সদরের ধোপাজান চলতি নদী কোনো ইজারা দেয়া হয়নি। কেউ যদি অবৈধভাবে ভোগ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের দাবি ছিল ৮০ কোটি টাকা। কিন্তু আদায় হয়েছে মাত্র ১৭ কোটি টাকা। এই আদায়টা যদি অন্তত ৬০ কোটি টাকা হতো, তবে এটা সামঞ্জস্য হতো।
জেলা প্রশাসক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা যারা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি, আমরা কখনো ভাল হতে পারছি না। হয়তোবা কাজের চাপে তেমন ভাল আচরণ করতে পারছি না। এতেই ছড়িয়ে পড়ে দূর্বনাম। আমরা সেবাগ্রহিতাদের কাছে ভাল কর্মকর্তা হতে চাই।