১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:সোমবার, ২২ সেপ্টে ২০২৫ ০৮:০৯
সুরমাভিউ:- গত ৯ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্রগ্রামের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পূর্ব নোনাছড়ি পাড়ার মোঃ আতিক ও ছেনোয়ারা বেগম এর একমাত্র কিশোরী মেয়ে উমি সোলতানা সাদিয়া (১৫) কে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া গ্রামের মৃত বাতির আলী ছেলে তরিকুল ইসলাম লিটু (২৮) ও বিশ্বনাথের ভবনপুর গ্রামের বতু মিয়ার ছেলে জাকির আহমদ (৩২) বাদীনির ঘর থেকে জোরপূর্বক নিয়ে যায়। এ সময় ঘর থেকে ১৩ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১লক্ষ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন বাদীনি ছেনোয়ারা বেগম।
বাদীনি ছেনোয়ারা বেগম জানান, গত ৯ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আমি জরুরি প্রয়োজনে বাড়ির পাশে পিতার বাড়িতে গেলে আসামীগন আমার আলমিরা ভেঙে ১৩ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১লক্ষ জোরপূর্বক নিয়ে নেয়। এ সময় আমার ছোট আব্দুল্লাহ আবু সাফুয়ান ও মেয়ে সোলতানা সাদিয়া উর্মি বাঁধা দিলে আসামীদ্বয় তাহাদের চুরি দেখাইয়া ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এ সময় ভয়ে ছোট ছেলে পাশে মামার বাড়িতে আসিয়া বলিলে আমি ও আমার ভাই আবুল কালাম বাড়িতে আসিয়া দেখি জোরপূর্বক তারা আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় আমরা নিকটতম ফাঁড়িতে যোগাযোগ করি এবং সকল জায়গায় খোঁজখুজি করিতে থাকি। পরের দিন আমার বড় ছেলে স্থানীয় চকরিয়া থানায় জিডি এন্ট্রি করি। ইতিপূর্বে আসামী তরিকুল ইসলাম লিটু আমার মেয়েকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দিলে আমরা প্রত্যাখান করি এর পরে সে আমার বড় ছেলে নয়নকে হুমকি, ধমকি প্রদান করে। আসামী দুইজনের বাড়ি সিলেটের ঘিলাছড়া ও বিশ্বনাথে এবং বাদীনি ছেনোয়ারা বেগমের শশুড়বাড়ির আত্মীয়। আত্মীয়তার সুযোগে আমার বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে এসেছে। তারা আমার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে উদ্ধার করতে পেরে ১৬ই সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ১ একটি মামলা দায়ের করি। এর আগে চকরিয়া থানায় মামলা গ্রহন না করায় নিরুপায় হয়ে কোর্টে মামলা দায়ের করি। আমি আমার মেয়েকে ফিরে পেতে চাই পাশাপাশি অপহরণকারীদের গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধারে সহযোগিতা কামনা করি।
Helpline - +88 01719305766