চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খেলেন বৈষম্যবিরোধী নেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫ ১২:০৫

চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ধরা খেলেন বৈষম্যবিরোধী নেতা

Manual4 Ad Code

গাজীপুরের শেরেবাংলা রোডের একটি বাসা থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গাজীপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ খানের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ কারণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

Manual1 Ad Code

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানা চত্বরে কয়েকজন ব্যক্তি মিলে আকাশ খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। একাধিকবার তাকে প্রশ্ন করা হয়, তোমরা আমাদের কাছে চারটা মামলার জন্য পাঁচ লাখ করে মোট ২০ লাখ টাকা চাঁদা চাওনি? আকাশ খান এ সময় ক্যামেরার সামনে নিরুত্তর ছিলেন।
ভিডিওতে সাক্ষাৎকার দিতে দেখা যায় এক যুবককে। যিনি দাবি করেন, রাত ১২টার দিকে আকাশ খান বাড়ি ভাড়া নেওয়ার অজুহাতে বাড়িতে প্রবেশ করে। ওই সময় তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল।

যুবক বলেন, ‘আকাশরা বাড়িতে ঢুকেই আমাদের জানায় আমার বাবা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন এবং তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। এরপর তারা থানা-পুলিশে ঝামেলা করে দেওয়ার ভয় দেখাতে থাকে।’
ঘটনার বর্ণনায় তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সমাধানের পথ খুঁজতে চাইলে তারা ২০ লাখ টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে হাতে থাকা ২০ হাজার টাকা এবং ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে আরও ৬ হাজার টাকা তুলে দিলে তারা সেখান থেকে চলে যায়। তবে পরদিন সকাল ১১টার মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলা হয়।’

এ বিষয়ে আকাশ খানের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Manual3 Ad Code

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, এমন কোনো অভিযোগ এখনো পর্যন্ত থানায় আসেনি। যদি কেউ লিখিত বা মৌখিকভাবে অভিযোগ করে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযুক্তকে আটক করা হয়নি।

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, আকাশ খান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গাজীপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে ইতোমধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

Manual2 Ad Code

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বিষয়টি স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত নিরসন না হলে ছাত্র রাজনীতির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দুর্বল হতে পারে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ