মেধাবী ছাত্র রাকিবের উপর প্রহসনমূলক মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টে ২০২৪ ০৬:০৯

মেধাবী ছাত্র রাকিবের উপর প্রহসনমূলক মিথ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

Manual2 Ad Code

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:-  সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মেধাবী ছাত্র রাকিবের উপর বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পিতা মুর্শেদ আলম।

Manual5 Ad Code

আজ (১০সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাংলাবাজারে এ সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

Manual5 Ad Code

এ সময় মুর্শেদ আলম বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে সুড়িগাঁও গ্রামের আনোয়ার আলীর মেয়ে আত্মহত্যা করে। পরবর্তীতে দোয়ারাবাজার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের পর তার দাপনও সম্পন্ন হয়।

Manual2 Ad Code

এ ঘটনার দুই মাস পর বিষয়টাকে পুঁজি করে নিহতের পিতা আনোয়ার আলী আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি তার কথামত টাকা না দেয়ায় পরিকল্পিতভাবে তিনি আমার ছেলেকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

তিনি এখনো আমাকে অফার দিচ্ছে যদি আমি কিছু টাকা দিয়ে দেই তাহলে তারা সমাধানে চলে আসবে এবং আমাকে আর হয়রানি করবে না । আর যদি টাকা না দেই তাহলে তারা এভাবেই আমাকে হয়রানি করার হুমকি প্রদান করে। একটি কুচক্রী মহল আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে আমার কাছে টাকা দাবী করছে। টাকা না দেয়ার কারনে অহেতুক আমার ছেলেকে আসামী করে হয়রানী করছে। আমি প্রবাসে অনেক কষ্ট করে টাকা রোজগার করে কোনমতে সংসার চালাই আর সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছি। আমার ছেলে অত্যন্ত মেধাবী একজন ছাত্র। সে সব সময় পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে। আমার ছেলে কোন অন্যায়ের সাথে জড়িত নয়। তাহলে আমি কেন অন্যায়ের কাছে মাথা নথ করব। কেন আমার পরিশ্রমের টাকা বিনা কারনে তাদেরকে দেব। আর তারা মামলা থেকে আমার ছেলেকে অব্যাহতি দিবে। দেশে কি কোন বিচার নাই। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি। সেই সাথে আমার ছেলেকে এই প্রহসনমূলক মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাই।

তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে যদি ওই মেয়ের আত্মহত্যার জন্য দায়ী হতো তাহলে ঘটনার দুই মাস পর উনি আমার ছেলেকে আসামী করে মামলা দিতেন না। ঘটনার সাথে সাথেই তিনি পদক্ষেপ নিতেন। কার প্ররোচনায় অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি এ হয়রানিমূলক মামলাটি দায়ের করেছেন সেটা বোধগম্য নয়। মেয়ের মৃত্যুর দুই মাস পর মামলা দায়ের করার পেছনে নিশ্চই কোন ষড়যন্ত্র আছে। কোন রহস্য ছাড়া কেউ এতদিন পর কেন মামলা করতে যাবে? এ নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। আমি আশা করি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে পরিকল্পিত এই মামলার রহস্য উদঘাটন করে আমার ছেলেকে অহেতুক মিথ্যে মামলা থেকে মুক্তি পেতে সহযোগিতা করবেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ