বিশ্বনাথে ফসলের মাঠ যেন সবুজের বিছানা বাতাসের তালে তালে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

প্রকাশিত:রবিবার, ১৮ সেপ্টে ২০২২ ০১:০৯

বিশ্বনাথে ফসলের মাঠ যেন সবুজের বিছানা বাতাসের তালে তালে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন

Manual4 Ad Code

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:-  সিলেটের বিশ্বনাথে ফসলের মাঠ যেন সবুজের বিছানা। যেদিকে চোঁখ যায় সেদিকেই শুধু সবুজের সমারোহ। এ যেন এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। সময় যতোই যাচ্ছে ততোই সৌন্দর্য ছেঁয়ে গেছে রোপা- আমনের ফসলি মাঠ।

সবুজ মাঠে বাতাসের তালে তালে সর্বত্র দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরো বিকশিত করে তুলেছে। মাঠের এমন দৃশ্য দেখে কৃষাণীর মনেও আনন্দের কমতি নেই।

Manual8 Ad Code

সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অবসরের সময় নেই বললেই চলে। খাওয়া দাওয়া চলছে মাঠে। কাজের ফাঁকে এক পর্যায়ে কৃষক আব্দুল ওয়াহিদকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, এ বছর উপর্যুপরি বন্যায় আউশের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগাম আমন রোপন করেছি।

Manual8 Ad Code

জমিতে আগাছা ও পোকা মাকড়ের আক্রমনের ভয়ে সার্বক্ষনিক পরিচর্যায় থাকতে হচ্ছে। এবার ভরা বর্ষায় বৃষ্টি না থাকায় সেচ দিয়ে জমি চাষাবাদ করতে হলো। জ্বালানি তেল, সার, বীজ ও কীটনাশকের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিঘা প্রতি আমন আবাদে খরচ হয়েছে আগের তুলনায় প্রায় এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি। যদি ভাল ফসল হয় তবেই এসব পুষিয়ে নিতে পারবো।

Manual8 Ad Code

কৃষক আব্দুল হাসিম জানান, শ্রাবণ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আমন রোপনের কাজ শেষ করেছি ।অগ্রহায়নের প্রথম সপ্তাহ থেকে চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে আশাকরি ধান কাটা শেষ করতে পারবো। তবে শংকা একটা,যদি উপস্থিত সময়ে শ্রমিক সংকট হয়।

Manual2 Ad Code

কৃষক মরম আলী জানান, ভরা বর্ষায় বৃষ্টির পরিমান কম থাকায় জমিতে পানি সেচ দিয়ে বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে আমরা দিন-রাত সমানতালে পরিশ্রম করেছি। জমি থেকে এক মুহূর্তের জন্য অবসর সময় কাটানোর সুযোগ নেই। এখন রোপা আমনের আগাছা ও পোকামাকড় দমন, ও বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত রয়েছি।

কৃষক সাজন মিয়া জানান, পোকামাকড় কিংবা আগাছা জনিত কারণে যাতে ফসল নষ্ট না হয় সে কারণে আমরা সব সময় নজরদারি করছি। সময় মতো জমিতে ধান রোপন ও সার সহ বিভিন্ন কীটনাশক প্রয়োগ করতে পেরেছি বলে ধান গাছ দ্রুত বেড়ে উঠেছে। মাঠে এসে জমির দিকে তাকালে মন খুশিতে ভরে উঠে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র ধর জানান, এ বছর উপজেলায় স্বল্প জীবন কালের ধান ব্যাপক পরিসরে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। আমন ধান পোকার আক্রমণে যেন কোনো ক্ষতি না হয় সে বিষয়েও কৃষি অফিস তৎপর রয়েছে বলে তিনি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ