মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোরে মৌলভীবাজার সদর থানাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল রাজনগর উপজেলার অন্তেহরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে পিকআপসহ একজনকে আটক করে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি যাওয়া গরু দুটি উদ্ধারসহ আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন রাজনগর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের অন্তেহরি গ্রামের মনোরঞ্জন নমশুদ্রের ছেলে রূপন নমশুদ্র প্রকাশ রুবেল সরকার (২৪), একই গ্রামের ধীরেশ সূত্রধরের ছেলে দীপন সূত্রধর (২০), মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের ইদ্রিছ মিয়ার ছেলে এলেমান মিয়া (৩৮) এবং একই গ্রামের নারায়ন নমশুদ্র প্রকাশ নারাইয়ের ছেলে স্বপন নমশুদ্র (২৩)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর বেলা আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের জরিফ
উদ্দিন তাঁর বাড়ির পূর্ব পাশে চানপুর বুড়া ঠাকুরের আখড়া-সংলগ্ন একটি খালি জায়গায় গরু দুটি ঘাস খাওয়ার জন্য বেঁধে রাখেন। পরে বেলা আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে সেখানে গিয়ে গরু দুটি দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং পুলিশকে বিষয়টি জানান।
ঘটনার পর চুরি হওয়া গরু উদ্ধারে তৎপর হয় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে বের হওয়ার বিভিন্ন সড়ক এবং লামুয়া বাজার, সরকারবাজার ও সাধুহাটি এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। লামুয়া বাজারের একটি ক্যামেরার ফুটেজে হলুদ রঙের পিকআপে গরু দুটি নিয়ে যেতে দেখা যায়। ওই ফুটেজের সূত্র ধরে পিকআপটি শনাক্ত ও গরু উদ্ধারে অনুসন্ধান চালানো হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে রাজনগর উপজেলার অন্তেহরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রূপন নমশুদ্র প্রকাশ রুবেল সরকারকে পিকআপসহ আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্য তিনজনকে চুরি যাওয়া গরু দুটিসহ আটক করা হয়।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।