আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:সোমবার, ২০ জুলা ২০২৬ ০৭:০৭

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

Manual6 Ad Code

দীর্ঘ দেড় দশকের অপেক্ষার অবসান। টুর্নামেন্টজুড়ে দাপুটে ফুটবল খেলার পুরস্কারটা শেষ পর্যন্ত পেয়েই গেল স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেছে ‘লা রোহা’।

Manual7 Ad Code

নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালের পুরোটা সময়ই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল, আক্রমণ আর সুযোগ তৈরিতে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে চাপে রাখে তারা। অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির দল পুরো ম্যাচজুড়ে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজেই পায়নি।

Manual2 Ad Code

প্রথমার্ধেই একাধিকবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন। লামিনে ইয়ামালের শট ঠেকিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পরে ফেরান তোরেসের হেডও দুর্দান্তভাবে রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্যভাবেই শেষ হয়।

তবে অতিরিক্ত সময়ে এসে আর রক্ষা হয়নি আর্জেন্টিনার। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের নিখুঁত হেড থেকে বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশে জাল খুঁজে নেন বদলি ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। সেই এক গোলই গড়ে দেয় শিরোপার ভাগ্য।

 

গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আরও কঠিন হয়ে যায় আর্জেন্টিনার। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পাউ কুবারসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

পরিসংখ্যানও স্পেনের আধিপত্যেরই গল্প বলেছে। ১৯৬৬ সালের পর এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথমার্ধে একটি শটও নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। শুধু তাই নয়, পুরো ৯০ মিনিটে তারা গোলমুখে কোনো শট রাখতে পারেনি এবং বলের দখলেও ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে তাদের সর্বনিম্ন।

Manual5 Ad Code

সব মিলিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে কার্যত নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগই দেয়নি স্পেন। জমাট রক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত মাঝমাঠ আর ধারালো আক্রমণের সমন্বয়ে পুরো টুর্নামেন্টের মতো ফাইনালেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে তারা।

এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করল স্পেন। আর টানা দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে রানার্সআপ হয়েই বিশ্বকাপ শেষ করতে হলো আর্জেন্টিনাকে।

Manual2 Ad Code