বর্ষবরণের নামে অনৈইসলামিক কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবরে ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার, ১২ এপ্রি ২০২৬ ০৬:০৪

বর্ষবরণের নামে অনৈইসলামিক কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবরে ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির স্মারকলিপি প্রদান

Manual6 Ad Code

সুরমাভিউ:-  ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ মহোদয় বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

Manual8 Ad Code

১২ এপ্রিল দুপুরে ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মুফতী ফয়জুল হক জালালাবাদীর নেতৃত্বে পৃথক পৃথক ভাবে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকলে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ মাওলানা নওফল আহমদ, প্রিন্সিপাল মাওলানা শায়েখ নাসির উদ্দীন, হাফিজ ক্বারী এইচ.এম সাদী, হাফিজ তাকবির আহমদ, হাফিজ মাওলানা কামাল উদ্দিন, এইচ.এম. মইনুল ইসলাম আশরাফী, মাওলানা হুসাইন আহমদ মদনী, মাওলানা আসলাম রাহমানী, মাওলানা নজরুল ইসলাম, ক্বারী মাওলানা শিব্বির আহমদ প্রমূখ।
সাম্প্রতিক সময়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে বিজাতীয় তথা ব্রাহ্মণ্যবাদী ও পশ্চিমাদের অনুকরণে অনেক মুসলমানগণও নানাবিধ বেফাস উন্মাদনা ও বেলেল্লাপনায় মেতে উঠেন।

Manual7 Ad Code

আমাদের প্রতিবেশী কোন কোন সমাজে মঙ্গল শোভাযাত্রা, নাচ, গান, মোমবাতি প্রোজ্জ্বলন ইত্যাদির মাধ্যমে দেব-দেবীর কাছে মঙ্গল কামনা, নারী পুরুষদের সম্মিলিত নৃত্য প্রদর্শন করে উন্মাদনা, মদ্যপান করে নেশায় মত্ত হয়ে মানুষের উপর রং ছিটাছিটি ইত্যাদি আভিজাত্য এবং সংস্কৃতি হলেও মুসলমানদের জন্য তা সম্পূর্ণ হারাম বা নাজায়েজ ও অবৈধ। ক্ষেত্র বিশেষ শিরিক এর মত অমার্জনীয় পাপাচার বলে বিবেচিত। শুধু তাই নয় বরং রুচিবোধ সম্পন্ন সকল মানুষের কাছেই তা অনৈতিক ও ঘৃনিত কাজ, যা সংস্কৃতির সংজ্ঞায় পড়েনা। উপরন্তু এ সবের সাথে পহেলা বৈশাখ উদযাপ বা বাংলা কোন কোন প্রকার নববর্ষ উদযাপনের নূন্যতম সম্পর্ক নেই।

Manual1 Ad Code

ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটি মনে করে মহান আল্লাহর জমিনে এসব কু-কর্ম ভয়াবহ আযাব ও গজবের কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, এসব অপসংস্কৃতি আমাদের সমাজে বেলেল্লাপনা, অনৈতিকতা অসংখ্য অপকর্মের বিস্তার ঘটিয়ে সামাজিক ভাইরাস ছড়াচ্ছে, যা থেকে আমাদের মুসলমান সম্প্রদায়কে রক্ষা করা সকল সচেতন ইসলাম প্রিয় রুচিবোধ সম্পন্ন মানুষের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব।

তাই দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে আহবান বর্ষবরণকে ঘিরে বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভবট ছবি টানিয়ে প্লেকার্ড বা প্রতীকি মূর্তি তৈরী, মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে রাস্তাঘাটে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ ও অশ্লীল ভাব-ভঙ্গিমা প্রদর্শন, মদ্যপান ও নেশাগ্রস্থ অবস্থায় রাস্তায় সম্মিলিত নৃত্য প্রদর্শনী ও বেফাঁস উন্মাদনাসহ পহেলা বৈশাখী মেলার নামে জুয়া-যাত্রা, হাইজি বন্ধ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। বিজ্ঞপ্তি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ