২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:বুধবার, ২৫ ফেব্রু ২০২৬ ০৪:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক:- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় একটি আবাসীক হোটেলের মালিক পক্ষ সুনামগঞ্জ আদালতে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।
আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিলেট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)/সংশ্লিষ্ট থান-কে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তিন সাংবাদিক গত [ প্রথম ধাপ ১/১/২০২৬ ও ২য় ধাপ ১৮/২/২০২৬] তারিখে জগন্নাথপুর পৌর সভা সংলগ্ন সান লাইট আবাসিক হোটেলে গিয়ে হোটেলের বিভিন্ন ত্রুটি বিচ্যুতি খুঁজে বের করার ভয় দেখান, সান লাইট হোটেল সরকারি জায়গায় রয়েছে বলে হুমকি দিতে থাকেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয় তারা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে ব্র্যাকমিল করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। গত ১/১/২০২৬ সান লাইট আবাসীক হোটেলে প্রবেশ মালিক পক্ষ মনির মিয়ার সাথে হোটেল সরকারি জায়গায় রয়েছে বলে হুমকি দিতে থাকেন।
পরবর্তীতে তারা বলেন আমরা যদি এই হোটেলের বিভিন্ন টেলিভিশন বা পএিকায় নিউজ করি জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন এসে বিল্ডিং ভেঙে দিবে। আমরা প্রশাসন ম্যানেজ করব। তারা সংবাদ প্রকাশ না করার বিনিময়ে হোটেল মালিকের কাছে ৬ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
হোটেল মালিক প্রবাসী ছোট মিয়া তার ছোট ভাই মনির মিয়া বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ আদালতে তিন সাংবাদিক আসামী কে মামলা দায়ের করেন। তারা হলেন জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগমনা গ্রামের মৃত আবরু মিয়ার পুএ আব্দুল ওয়াহিদ। চিলাউড়া হলদিপুর ইউনিয়নের নোলোয়া নোয়াগাও গ্রামের মৃত মনফর উল্লাহ পুএ হিবজুর রহমান তালুকদার জিয়া। জগন্নাথপুর পৌর সভার করিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালিকের পুএ রিয়াজ রহমান কে আসামী করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ওই সাংবাদিকরা হোটেলের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার হুমকি দেন এবং অশালীন আচরণ করেন। ঘটনার সপক্ষে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
বিবাদী পক্ষ ও মালিকের বক্তব্য মামলার বাদী হোটেল মালিক বলেন: মনির মিয়া বলেন ”আমরা সততার সাথে ব্যবসা করছি। কিন্তু এই তিন সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হয়রানি করে আসছিল। নিরুপায় হয়ে আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।”
অন্যদিকে, অভিযুক্ত সাংবাদিকদের আব্দুল ওয়াহিদএর তিনি বলেন মামলা একজনে করতে পারে, সমস্য নেই। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, হোটেলের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়ায় তাদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে এই মামলা করা হয়েছে।
Helpline - +88 01719305766