হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

প্রকাশিত:শনিবার, ২৭ ডিসে ২০২৫ ১১:১২

হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

Manual1 Ad Code

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

Manual7 Ad Code

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে হাদির কবর জিয়ারত করেন। এ সময় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

সেখানে উপস্থিত আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের নেতাকর্মীরা। উপস্থিত আছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.এস.এম. আমানুল্লাহ।

এর আগে সকাল ১০টার কিছু আগে গুলশানের বাসা থেকে বের হন তারেক রহমান। পথে এবং শাহবাগে দলের নেতকার্মী ও সমর্থকদের ভিড়ের কারণে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হয়।

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি, র‌্যাব। রয়েছে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য। তার আগমন উপলক্ষে কিছু সময়ের জন্য শাহবাগ থেকে অবরোধ সরিয়ে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে যায় ইনকিলাব মঞ্চ।

Manual6 Ad Code

ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ও ডাকসুর নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, “তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে শাহবাগ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান চলে গেলে শহবাগে আবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।”

Manual7 Ad Code

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, হাদির কবর জিয়ারত শেষে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন করবেন তারেক রহমান।

Manual7 Ad Code

গত বৃহস্পতিবার ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ফেরার দিন রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় দলের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। এরপর অসুস্থ মা’কে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান এবং সেখান থেকে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন।

গতকাল শুক্রবারও ব্যস্ত সময় পার করেন তিনি। তারেক রহমান তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সেখানেও অসংখ্য নেতা-কর্মীর ভিড় জমে। নেতা-কর্মীদের ভিড়ের কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে দীর্ঘসময় লাগে তারেক রহমানের।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মুখ ওসমান হাদি গত বছরের আগস্টে ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করেন ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন তিনি। ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু পর ঢাকার পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ