নদীভাঙন মানুষের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে – এমরান চৌধুরী

প্রকাশিত:শুক্রবার, ৩১ অক্টো ২০২৫ ০৪:১০

নদীভাঙন মানুষের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে – এমরান চৌধুরী

Manual3 Ad Code

সুরমাভিউ:-  সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বলেছেন নদী তীরবর্তী মানুষের জন্য নদী ভাঙন এক মারাত্মক সমস্যা।

এই সমস্যা এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আমি এই এলাকার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা গভীরভাবে উপলব্ধি করি। তাই ভাঙনরোধে অস্থায়ীভাবে দ্রুত জিও ব্যাগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরি। আমি বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীলদের সাথে, বিশেষ করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলবো, যাতে দ্রুত এই এলাকায় জিও ব্যাগ স্থাপন করা যায় এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

Manual1 Ad Code

তিনি আজ বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪নং শেওলা ইউনিয়নের ঢেউনগর, দিঘলভাগ, বালিঙা, কোনাশালেশ্বর এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্হানসমূহ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ সরকার সাধারণ মানুষকে উন্নয়নের ধোয়া তুলে লুটপাট করেছে, নিজেদের পকেট ভারি করেছে তারা জনগণের জন্য কিছুই করেনি।
অথচ এই নদী তীরবর্তী মানুষের জন্য চাইলে অনেক কিছু করা সম্ভব ছিলো। ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সব সময় জনমানুষের পক্ষে কাজ করছে এবং আগামীতে আমরা সরকার গঠন করলে সবার আগে এই সমস্যাগুলো সমাধানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে।

Manual2 Ad Code

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. আবু তাহের, শেওলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতার হোসেন খান জাহেদ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম তাজুল, চারখাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির মক্তই, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহমদ চৌধুরী, জেলা কৃষকদলের সদস্য এ এইচ তানভীর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলাই, শেওলা ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন, মামুনুর রশীদ, আবুল হাসিম, জাবের আহমদ, ফয়ছল আহমদ মিজু, বোরহান উদ্দিন, এবাদ আহমদ, পাখি মিয়া, মিছবাহ উদ্দিন, রুপক আহমদ ,আবুল কাশেম, সালেহ আহমদ, সাইদুল ইসলামসহ আরো উপস্থিত ছিলেন নদী ভাঙনের স্বীকার হওয়া ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ