শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ জিতল টাইগাররা

প্রকাশিত:বুধবার, ০৭ ডিসে ২০২২ ০৯:১২


Manual8 Ad Code

জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে ভারতের দরকার ছিল ৪০ রান। রোহিত শর্মার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জয়ের দ্বারপ্রান্তেই অবস্থান করছিল সফরকারীরা। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ নৈপুন্যে শেষ বলে ভারতকে হারাল বাংলাদেশ। আর তাতেই ৫ রানের জয় নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল টাইগাররা। ম্যাচের শুরুতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৭১ রান তুলে স্বাগতিকরা। জবাবে ২৬৬ রানে থেমেছে সফরকারীরা।

Manual4 Ad Code

রান তাড়া করতে নেমে দলকে ভালো সূচনা এনে দিতে পারেননি দুই ওপেনিং ব্যাটার শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। ৫ রানে কোহলি ও ৮ রানে সাজঘরের পথ ধরেন শিখর ধাওয়ান। আর আউট হওয়ার পূর্বে মাত্র ১১ রান তুলতে পেরেছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। লোকেশ রাহুলের ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান।

মাত্র ৬৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসা ভারত দলের হাল ধরেন শ্রেয়াস আয়ার। তার সঙ্গ দেন অক্ষর প্যাটেল। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ১০৭ রানের জুটি। তাতেই জয়ের স্বপ্ন দেখে ভারতীয় শিবির। এই দুই ব্যাটারই অর্ধশতকের দেখা পান। ৮২ রানে আয়ার ও ৫৬ রানে প্যাটেল আউট হন। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান ভারতীয় দলনেতা রোহিত শর্মা। কিন্তু দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। অপরাজিত থাকেন ৫১ রানে।

Manual2 Ad Code

এর আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। ব্যাট হাতে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ব্যক্তিগত ১১ রানে আউট হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আরেক ওপেনার লিটন কুমার দাসের ব্যাট থেকে এসেছে কেবল ৭ রান। ৮ রান করে আউট হন সাকিব আল হাসান।

নাজমুল হাসান শান্তর ব্যাটে আশার আলো দেখতে থাকে বাংলাদেশ শিবির। কিন্তু ব্যক্তিগত ইনিংসটা খুব বেশি বড় করতে পারেননি বা-হাতি এই ব্যাটার। ৩৫ বলে ২১ রান করে আউট হন তিনি। ১২ রান করতে পেরেছেন উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। আর রানের খাতায় খুলতে পারেননি আফিফ হোসেন ধ্রুব।

Manual8 Ad Code

মাত্র ৬৯ রানে ৬ উইকেট হারালে মনে হচ্ছিল একশও করতে পারবে না টাইগাররা। এমন সময় সপ্তম উইকেট জুটিতে দুর্দান্ত ব্যাট করে যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ। দুজন মিলে গড়েন ১৪৮ রানের জুটি। এই দুই ব্যাটারই অর্ধশতকের দেখা পান। ৯৬ বলে ৭৭ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন রিয়াদ।

Manual3 Ad Code

এদিকে নাসুম হোসেনকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত খেলে যান মিরাজ। নিজের ফিফটিকে রূপ দেন সেঞ্চুরিতে। আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটে এটিই তার প্রথম শতরানের ইনিংস। তিনি অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে। মাত্র ৮৩ বলে খেলা তার এই ইনিংসটি আটটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। এদিকে ১১ বলে ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন নাসুম আহমেদ।