রবিবার (১৬ আগস্ট) শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। একজন দায়িত্বরত জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে এমন জঘন্য অপরাধের অভিযোগ ওঠায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পতনঊষার ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড এলাকায় ওই কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি নজরে আসার পরপরই শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দ্রুত তদন্তে নামেন এবং অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আব্দুল মুমিন ও তার এক সহযোগীকে আটক করতে সক্ষম হন।
জনপ্রতিনিধির এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা পরিচয় বিবেচনা না করে ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তারা।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাই চলছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দ্রুত পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বর্তমানে ভুক্তভোগী কিশোরীর চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।