বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ

প্রকাশিত:শনিবার, ১৪ ফেব্রু ২০২৬ ০৭:০২

বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ

Manual4 Ad Code

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

Manual6 Ad Code

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামে গেজেট ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিতদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়।

রবিবার থেকে কর্মদিবস শুরু হওয়ায় ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

শপথ পরবর্তী ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, “সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর বিজয়ী দল তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং পরবর্তীতে একটি সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে।”

সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। সচিব জানান, এটি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ার।

তবে তিনি অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানান, এখানে একাধিক বিকল্প রয়েছে। সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে তারা না থাকলে তাদের মনোনীত কেউ অথবা প্রধান বিচারপতি কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বরাবরের মতোই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পাঠ করাবেন।

Manual8 Ad Code

শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেখ আব্দুর রশীদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা পরিস্থিতির প্রয়োজনে এর পরেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

Manual5 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ