ভূমিকম্পের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়

প্রকাশিত:রবিবার, ২৩ নভে ২০২৫ ০৮:১১

ভূমিকম্পের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়

Manual5 Ad Code

দুদিনে একাধিক ভূমিকম্পের পর এবার বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা একটি দুর্বল নিম্নচাপ ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে আজ রবিবার ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ’-এ পরিণত হয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।

Manual1 Ad Code

কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ গণমাধ্যমে বলেন, সর্বশেষ প্রাপ্ত পূর্বাভাস অনুযায়ী ২৬ বা ২৭ নভেম্বরের দিকে দক্ষিণ–পূর্ব বঙ্গোপসাগরে (আন্দামান–নিকোবরের দক্ষিণ দিকে) একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Manual4 Ad Code

তিনি জানান, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির উৎপত্তি নিয়ে সব আন্তর্জাতিক আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল একমত হলেও এর শক্তি ও উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাব্য স্থানের বিষয়ে মডেলগুলো ভিন্ন ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূল পর্যন্ত যে কোনো অঞ্চলে এটি আঘাত হানতে পারে। তবে ২৬ নভেম্বরের পরে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানান তিনি।

Manual8 Ad Code

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে মাঠে থাকা পাকা আমন ধান দ্রুত কেটে মাড়াই শেষ করার পরামর্শ দিয়েছেন জলবায়ু গবেষকেরা। শীতকালীন শাকসবজির চাষিরাও বৃষ্টি মাথায় রেখে জমিতে সেচ ও বীজ বোনার পরিকল্পনা করে রাখতে বলা হয়েছে।

এর আগে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে স্বাভাবিক রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া থাকতে পারে।

Manual2 Ad Code

১ ডিসেম্বরের পর উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ৩০ নভেম্বরের পর নতুন করে সমুদ্রে মাছ ধরতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রে থাকা ট্রলারগুলোকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যেই উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

১ থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের মধ্যবর্তী সমুদ্রখণ্ড প্রচণ্ড উত্তাল থাকতে পারে। এ সময়ে ওই অঞ্চলে নৌযান চলাচল ও ভ্রমণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।