২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলা ২০২৫ ০৮:০৭
দফায় দফায় হামলা-সংঘর্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অ্যাকশনে উত্তপ্ত গোপালগঞ্জ। হামলা-সংঘর্ষের সময় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে জেলা শহরে ১৪৪ ধারা ও পরে রাত আটটা থেকে পরবর্তী ২২ ঘণ্টার জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’- কর্মসূচি ঘিরে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। সারা দেশে পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল গোপালগঞ্জে মার্চ টু গোপালগঞ্জ কর্মসূচি পালন করে দলটি। দলের শীর্ষ নেতারা আগের দিন রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এই কর্মসূচির প্রচারণা চালান। এতে রাত থেকেই উদ্বেগ তৈরি হয়। কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই গোপালগঞ্জে উত্তেজনা দেখা দেয়। সকালে পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এনসিপি নেতাদের সম্ভাব্য প্রবেশ পথে গাছ কেটে অবরোধ তৈরি করা হয়। বাধা এড়িয়ে শহরে নেতারা পৌঁছার আগেই পৌর পার্কের সমাবেশ স্থলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তারা মঞ্চ ও চেয়ার ভাঙচুর করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধাওয়ায় সটকে পড়ে। পরে সমাবেশস্থলে পৌঁছান এনসিপি নেতারা। সেখানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ শেষ করে ফেরার পথে ফের হামলা হয় তাদের গাড়িবহরে। ব্যাপক এই হামলার পর এনসিপি নেতাদের সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। হামলা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দফায় দফায় চলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় জেলা শহর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুপুরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। বিকালে ঘোষণা করা হয় রাত আটটা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে। হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে এতে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না।
Helpline - +88 01719305766