৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:শুক্রবার, ১৩ অক্টো ২০২৩ ০৬:১০
বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কিউই বোলারদের বোলিং তোপে মাত্র ৫৬ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তখন শঙ্কা জাগে দলীয় সংগ্রহ ১০০ পেরোবে তো?
তখনই গল্পে আসে নতুন মোড়। ৫৬ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওযার পরই দলের হাল ধরেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। এই জুটিতে ভর করে বাংলাদেশ দল ঘুরে দাঁড়ায়। তুলে নেয় দলীয় দেড় শ রান।
সাকিব-মুশফিকের বিদায়ের পর কুলম্যান মাহমুদউল্লাহ ব্যাতীত আর কেউ তেমন রান করতে পারেননি। শেষ দিকে মাহামুদউল্লাহর ৪৯ বলে ৪১ রানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের দরকার ২৪৬ রান।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শূন্য রানেই এক উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই ট্রেন্ট বোল্টের শিকার হয়ে ফিরে যান আগের ম্যাচের হাফ সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। শূন্য রানেই ভাঙে বাংলাদেশর ওপেনিং জুটি।
এরপর তানজিদ হাসানকে নিয়ে জুটি গড়েন মেহেদী হাসান মিরাজ। তানজিদকে নিয়ে দলের বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু দলীয় ৪০ রানে লকি ফার্গুসনের শিকার হয়ে ফিরে যান সাজঘরে। আউট হওয়ার আগে করেছেন ১৭ বলে ১৬ রান।
তামিমের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এবার শান্তকে নিয়েই লড়ছিলেন মিরাজ। কিন্তু বেশি সময় তিনিও থাকতে পারেননি ক্রিজে। লকি ফার্গুসনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। আউট হওয়ার আগে করেন ৪৬ বলে ৩০ রান।
মিরাজের বিদায়ের পর ফিরে যান শান্তও। ৮ বলে ৭ রান করা শান্তকে ফেরান গ্লেন ফিলিপস।
শান্তর বিদায়ের পর মুশফিক ও সাকিবের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশ। এই জুটিতে ভর করে দলীয় ১৫০ রানও তুলে বাংলাদেশ। ফলে কিউইদের বিপক্ষে বড় স্কোর সংগ্রহের স্বপ্ন দেখতে থাকেন ভক্তরা। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪০ রানে ফিরে যান সাকিব আল হাসান। ভেঙে যায় সাকিব-মুশফিকের ৯৬ রানের জুটি। ৫১ বলে ৪০ রান করেন তিনি।
এর আগে চলতি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিকুর রহীম। বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশি। আর আজ নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও তুলে নিলেন হাফ সেঞ্চুরি।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অন্য ব্যাটারটা যখন আসা যাওয়ার মিছিলে ছিলেন, তখন সাকিবকে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশি।
৫২ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। যার মধ্যে রয়েছে ৫টি চারের মার দুইটি ছয়ের মার।
সাকিবের পর ফিরে যান মুশফিকও। ম্যাট হেনরির বলে বোল্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ৭৫ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। এর তিন ওভার না যেতেই বোল্টের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তাওহীদ হৃদয়। ২৫ বলে ১৩ রান করেছেন তিনি।
মুশফিক ও তাওহীদ হৃদয়ের বিদায়ের পর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে জুটি গড়েন একম্যাচ পর একাদশে সুযোগ পাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
কিন্তু মিচেল স্যান্টনানের শিকার হয়ে ১৯ বলে ১৭ করে তাসকিন আহমেদ সাজঘরে ফিরে গেলে ভেঙে যায় জুটি। এই জুটি থেকে আসে ৩৪ রান। এরপর মোস্তাফিজুর রহমানও ফিরে যান ৪ রান করে।
শেষের দিকে একাই লড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার অপরাজিত ৪১ রানে মেস পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৪৫ রান তুলতে সক্ষম হয়।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে লকি ফার্গুসন তিনটি, ট্রেন্ট বোল্ট দুইটি, ম্যাট হেনরি দুইটি, মিচেল স্যান্টনার ও গ্লেন ফিলিপস একটি করে উইকেট নেন।
Helpline - +88 01719305766