দোয়ারাবাজারে জনবল সংকটে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্র
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ৩১ আগ ২০২৩ ১০:০৮
Manual6 Ad Code
দোয়ারাবাজার(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:- গ্রামের প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার লক্ষ্যে প্রায় ২কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের দ্বিতল ভবনটি জনবল সংকটের কারণে চালু করতে না পারায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন যাবৎ। নষ্ট হচ্ছে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কোনো উদ্যোগ না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ।
২০২০ সালে স্থানীয় রফিকুল ইসলামের দান করা সাড়ে ৫০শতাংশ জমি উপর নির্মিত হয় উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের দ্বিতল ভবনটি। পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ওই সেবা কেন্দ্রে জনবল নিয়োগের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগ বেশ কয়েকবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জনবল নিয়োগে কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এলাকাবাসী।
সূত্র জানায়, এ সকল কেন্দ্রে বিনামূল্যে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা, গর্ভবতী সেবা, গর্ভোত্তর সেবা, এম আর সেবা, সাধারণ রোগীর সেবা, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সেবার জন্য উপজেলায় ৫টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। তারমধ্যে বোগলাবাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি জনবল না থাকায় চালু করা যাচ্ছে না।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয় আব্দুল হক বলেন, আমার গর্ভবতী স্ত্রীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে উপজেলা সদর হাসপাতালে নেয়ার সময় পথিমধ্যে সন্তান প্রসব হয়ে যায়। শুধু আমার স্ত্রীর বেলায় নয় এমন অনেক ঘটনা-ই এই এলাকাতে ঘটেছে।
বোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিলন খান জানান,জনবল নিয়োগ না দেওয়ায় কেন্দ্রটি চালু হয়নি। মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা জনাব মুহিবুর রহমান মানিক মহোদয়ের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে আশাবাদী খুব শ্রীগ্রই জনবল নিয়োগের মাধ্যমে কেন্দ্রটি চালু করা হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামীম চন্দ্র তালুকদার জানান, বোগলাবাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে জনবল নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।