বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের উড়িয়ে প্রথম সিরিজেই অবিস্মরণীয় জয়

প্রকাশিত:রবিবার, ১২ মার্চ ২০২৩ ০৬:০৩

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের উড়িয়ে প্রথম সিরিজেই অবিস্মরণীয় জয়

Manual1 Ad Code

সিরিজ শুরুর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় তো দূরের কথা কোনো জয়ই ছিল বাংলাদেশের। চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সেই অধরা জয়ের দেখা পায় টাইগাররা। আর মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংলিশদের হারাল ৪ উইকেটে। তাতেই প্রথমবার সিরিজ জেতার মাধ্যমে রূপকথার গল্প লিখল বাংলাদেশ।

লো-স্কোরিং ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৩২ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও লিটন দাস উভয়ই করেন ৯ রান। পরের উইকেটে দলের হাল ধরেন শান্ত-হৃদয়। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি হৃদয়। রেহান আহমেদের করা বলে ১৭ রানে ফেরেন তিনি।

Manual2 Ad Code

এরপর মিরাজকে পাঠানো হয় ক্রিজে। আস্থার প্রতিদান দেন এই অলরাউন্ডার। নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের ভিত এনে দেন তিনি। এরপর খেলতে নেমে সাকিব শূন্য রানে ও আফিফ ২ রানে আউট হন। এদিকে শেষ পর্যন্ত খেলে যান শান্ত। তাসকিনকে নিয়ে জয়ও তুলে নেয় টাইগাররা। ৪৬ রানে শান্ত ও ৮ রানে তাসকিন অপরাজিত থাকেন। ১৮.৫ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ১২০ রান।

Manual8 Ad Code

ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান টাইগার দলনেতা সাকিব আল হাসান। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফররত ইংল্যান্ড। তাসকিন আহমেদের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ৬ রানে আউট হন ওপেনার ডেভিড মালান।

আরেক ওপেনার ফিল সল্টের ব্যাট থেকে আসে ২৫ রান। সুবিধা করতে পারেননি দলনেতা জস বাটলারও। ব্যক্তিগত ৫ রানে হাসান মাহমুদের করা বলে বোল্ড হন ইংলিশ দলনেতা জস বাটলার। মেহেদি মিরাজের করা পরের ওভারের শেষ বলে শামীম পাটোয়ারির হাতে ক্যাচ তুলে দেন মঈন আলি। তিনি করেন ১৫ রান।

Manual3 Ad Code

পঞ্চম উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেওয়ার প্রয়াস চালান বেন ডাকেট ও সাম কুরান। কিন্তু কিছুক্ষণ ক্রিজে অবস্থান করলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারছিলেন না কেউই। অতপর মিরাজের করা ইনিংসের ১৫তম ওভারে ব্যক্তিগত ১২ রানে ফেরেন কুরান। একই ওভারে শূন্যরানেই আউট হন ক্রিস ওকস। ডাকেট ২৮, রেহান ১১ রান ও আর্চার শূন্যরানে আউট হন। ১ রানে আদিল রশিদ অপরাজিত থাকেন।

Manual8 Ad Code

বাংলাদেশের পক্ষে মাত্র ১২ রানের খরচায় সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন টাইগার স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন চারজন বোলার।