কিংবদন্তি সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি শোক প্রকাশ

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২০ মে ২০২২ ০৭:০৫

কিংবদন্তি সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটি শোক প্রকাশ

Manual3 Ad Code

 

আমিনুল হক ওয়েছ, লন্ডন
:

Manual8 Ad Code

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা বর্ষীয়ান লেখক, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও জনপ্রিয় কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে এক শোক বার্তায় গভীর শোক জানিয়েছেন ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আনসার আহমদ উল্লাহ, সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শাহেদ রাহমান, বর্তমান সহ-সভাপতি মতিয়ার চৌধুরী, এটি এম মনিরুজ্জামান, সৈয়দ শাহ সেলিম আহমদ, সেক্রেটারি মুহাম্মদ সাজিদুর রহমান, এসিসটেন্ট সেক্রেটারি আমিনুল হক ওয়েছ, ট্রেজারার মুহাম্মদ সালেহ আহমদ, এসিসটেন্ট ট্রেজারার আশরাফুল হুদা বাবুল, মিডিয়া এন্ড আইটি সেক্রেটারি শাহ রুমি হক, সোসিয়াল ওয়েলফেয়ার সেক্রেটারি মিজানুর রহমান মীরু, সালেহা আক্তার জোছনা, সাপ্তাহিক বাংলা সংলাপের আনসার মিয়া , ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন, ২৬শে টিভির সিইও জামাল খান ও বিশ্ববাংলা নিউজ এর সম্পাদক শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল প্রমুখ।

উল্লেখ্য আবদুল গাফফার চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ মে ২০২২) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান।

Manual7 Ad Code

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন। ১৯৫০ সালে গাফফার চৌধুরী পরিপূর্ণভাবে কর্মজীবন শুরু করেন। ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এ সাংবাদিক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এসময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

Manual7 Ad Code

১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবরে লন্ডনে যান। এরপর তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়।

Manual8 Ad Code

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন তিনি। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ