বন্ধ হয়ে গেলো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘দি সেন্ট্রাল ফার্মেসী’

প্রকাশিত:সোমবার, ২০ এপ্রি ২০২৬ ০৮:০৪

বন্ধ হয়ে গেলো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ‘দি সেন্ট্রাল ফার্মেসী’

Manual3 Ad Code

এক সময় একান্নবর্তী পরিবার মানেই সিলেটের অন্যতম ঐতিহাসিক ঐত্যিহ্যের প্রতীক একটি প্রাচীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দি সেন্ট্রাল ফার্মেসি’।

Manual8 Ad Code

এই ফার্মেসীর আয় থেকে তাদের বাড়ীর কয়েকটি পরিবারের প্রতিদিনের একসাথেরান্না করা হতো। পুরুষ মহিলা প্রত্যকে বাহির থেকে এসে ফ্রেস হয়ে চলে যেতেন ডাইনিং হলে।সকালের নাস্তা দুই বেলার খাবার প্রস্তুত

Manual5 Ad Code

করার জন্য বাবুর্চি ছিলো কয়েকজন।প্রত্যকের
রান্নাঘর শুধু চা কফি এবং মেহমান
আপ্যায়নের জন্য। আমি প্রায়শই যেতাম কারন
এই বাড়ীর বাসু আমার স্কুল সহপাঠি এবং
পরবর্তীতে এই বাড়ীর মেয়ে নন্দিতা যে আমার
মদন মোহন কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে
আমার অনুকূলে প্রচারনার দায়িত্বে ছিলো
এবং ১৯৭৭-৭৮ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী
হয়েছিলাম আমি।
মদন মোহন কলেজের বাংলার আমার
সরাসরি শিক্ষক ছিলেন শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক
বিজিত কুমার দে,তিনিও সেন্ট্রাল ফার্মেসীর
অন্যতম।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই একান্নবর্তী
পরিবারের পরিবারিক কোন্দলে আর স্বার্থের
কলহে বন্ধ হয়ে গেলো সিলেটের চৌহাট্রায়
অবস্থিত সেন্ট্রাল ফার্মেসী নামক প্রতিষ্ঠানটি।
মনে আছে সিলেট শহরের সর্ব প্রথম প্রতিষ্ঠিত
এই ফার্মেসীতে জরুরী ঔষধ, মানুষের নেয়ার
সুবিধার্থে রাতের ডিউটিতে সারারাত ঔষধ
বিক্রির ব্যবস্থা করা হতো
কোন জরুরী জীবনরক্ষাকারী ঔষধ অন্য
কোথায়ও না পাওয়া গেলে শেষ ভরসা ছিল ‘
দি সেন্ট্রাল ফার্মেসি’।

Manual5 Ad Code

১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধের সময়
পাকিস্তানীদের যোগসাজসে এই দেশের
দোসররা লুটে নিয়ে যায় সেট্রাল ফার্মেসীর
ওষুধ ও আসবাবপত্র। দেশ স্বাধীন হওয়ার
পর তাদের পারিবারিক ইউনিটির কারনে
পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে ফার্মেসীটি।
শেষ পর্যন্ত স্বার্থের কাছে হার মানলো এই
ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানিটি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ