দোয়ারাবাজার( সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি:- সুনামগঞ্জ -৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনীত একতারা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও সুপ্রিম পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ আবু সালেহের নির্বাচনী মিছিলে নৌকার সমর্থকদের হামলার ঘটনায় ১২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রার্থী আবু সালেহ।
শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধা ৭ টার দিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নে পালইছড়া গ্রামে প্রার্থীর নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে আগামী ১২ ঘন্টায় অভিযুক্ত আসামীদের আইনের আওতায় না আনলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন একতারা প্রতীকের প্রার্থী আবু সালেহ।
এসময় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী’র স্ত্রী লাইলী আক্তার লাকী, বাংলাদেশ সুপ্রীম পাটির দোয়ারাবাজার উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ, মো:মানিক মিয়া,মিলন মিয়া,মো: সামছুল হুদা,আলা উদ্দিন,দুলু মিয়া,কাইয়ুম উদ্দিন,মো: ফজলু মিয়া, আঃ হাই, মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম,জহিরুল ইসলাম, হিফজুল ইসলাম, সামাদ হোসেন, রুবেল হোসেন প্রমুখ।
এর আগে প্রার্থীর স্ত্রী লায়লী আক্তার বাদী হয়ে দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধায় একতারা প্রতীকের মিছিলে হামলা চালায় নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা। এতে একতারা প্রতীকের মিছিলকারী ছয়জন কর্মী আহত হয়।
ঘটনার পর দুষ্কৃতকারীদের আইনের আওতায় আনতে প্রতীবাদী মিছিল বের করে স্থানীয় জনতা। মিছিলে মিছিলে আল্টিমেটামে উত্তপ্ত হয়ে পরে পরো এলাকা। এ ঘটনার খবর পেয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরে এ ঘটনায় প্রার্থীর স্ত্রী লায়লী আক্তার লাকী বাদী হয়ে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বরইউড়ি গ্রামের শাহ আলমের পুত্র আবু সুফিয়ান (২২), বরইউড়ি গ্রামের মৃত ছমির উদ্দিনের পুত্র ইদ্রিছ আলী (২৬), বরইউড়ি গ্রামের ইদ্রিস আলীর পুত্র সজিব মিয়া (১৮), বাওয়ালীপাড়া গ্রামের মামুন মিয়া (১৯), বরইউড়ি গ্রামের মজনু মিয়ার পুত্র শাকিল মিয়া (১৮) আসামী করে ও এজাহারভুক্ত ও ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা দায়ের করে। এতে অভিযুক্ত একজন আসামী উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বরইউড়ি গ্রামের শাহ আলমের পুত্র আবু সুফিয়ানকে আটক করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন,ন্যক্কারজনক এমন
ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ জন আসামীর একজনকে আটক করলেও ঘটনার ২৪ ঘন্টা পরা হয়েছে অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীদের আটক করতে পারেনি পুলিশ। বাকি আসামীরা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরাফেরা করছে। মাঠে খেলাধুলা করছে ২৪ ঘন্টায় বাকি আসামীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান তারা।