শেষ ওভারের নাটকীয়তায় শ্বাসরুদ্ধকর জয়

প্রকাশিত:শুক্রবার, ১৪ জুলা ২০২৩ ১০:০৭

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় শ্বাসরুদ্ধকর জয়

Manual5 Ad Code

শেষ ওভারে প্রয়োজন ৬ রান। করিম জানাতের প্রথম বলে কাভার ড্রাইভে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান মিরাজ। ৫ বলে প্রয়োজন ২। পুল করতে গিয়ে আউট হন মিরাজ। ৬ বলে ৮ রান করেন তিনি। এরপর তাসকিন শর্ট-ওয়াইড বলে খোঁচা দেন উইকেটের পেছনে। ২ বলে ২ উইকেট নেই। এরপর নাসুম এসে ফেরেন সাজঘরে। হ্যাটট্রিক করেন করিম জানাত। ২ বলে প্রয়োজন ২ রান। এরপর শরিফুল দারুণ কাটে চার মেরে এনে দেন শ্বাসরুদ্ধকর জয়। ১৫৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ১ বল হাতে রেখে ৮ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে।

Manual7 Ad Code

পঞ্চম উইকেটে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তাওহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি। মূলত জয়ের ভিত্তি তখনই পেয়ে যায় টাইগাররা। এ সময় দুজন মিলে গড়েন ৭৩ রানের মহামূল্যবান জুটি। জয় নিয়ে ফিরতে পারেননি শামীম। রশিদের বলে আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ২৫ বলে ৩৩ রানে।

সিলেটে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান টাইগার দলনেতা সাকিব আল হাসান। ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকলেও শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় সফরকারীরা। তৃতীয় ওভারে নাসুমের বলে জাজাই ও চতুর্থ ওভারে তাসকিনের বলে ফেরেন গুরবাজ। জাজাই ৮ ও গুরবাজ ১৬ রান করেন।

Manual5 Ad Code

দ্বিতীয় উইকেটে নেমে সুবিধা করতে পারেননি ইব্রাহিম জাদরানও। তিনি ফেরেন ৮ রানে। আর সাকিব আল হাসানের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে মাত্র ৩ রান করেন করিম জানাত। ২৩ বলে ২৩ রান করে আউট হন নাজিবুল্লাহ জাদরান।

এদিকে একাই লড়াই চালিয়ে যান দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ নবি। শেষদিকে তাকে সঙ্গ দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তাদের দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াকু পুঁজি পেয়ে যায় আফগানরা। ৩৩ রানে আউট হন ওমরজাই। আর ফিফটি পূরণের পর ৫৪ রানে অপরাজিত থাকেন নবি।

Manual7 Ad Code

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন সাকিব আল হাসান। একটি করে উইকেট নেন পাঁচজন বোলার।

Manual1 Ad Code

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ