২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ০৯ সেপ্টে ২০২৫ ০৮:০৯
সুরমাভিউ:- বাংলাদেশের শীর্ষ ১টি জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের জোট শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) আইএলও কনভেনশন ও শ্রম সংস্কার কমিশনের আলোকে শ্রম আইন সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারী, শ্রমজীবীদের কর্মসংস্থান, মনুষ্যচিত আয়, স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ স্কপের ৯ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে শ্রম উপদেষ্টা বরাবর কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলমের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান কালে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপের আহ্বায়ক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল জেলা আহ্বায়ক মোঃ সুরমান আলী, স্কপ সদস্য সচিব ও সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট জেলা সভাপতি আবু জাফর, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট জেলা সাধারণ সম্পাদক প্রণব জ্যোতি পাল, ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সাধারণ ছাদেক মিয়া, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ময়নুল ইসলাম চৌধুরী (অপু), ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের আব্দুস সালাম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টে মনজুর আহমদ প্রমূখ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের ৭ কোটি ৬০ লক্ষ শ্রমজীবী মানুষের শ্রমই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি অথচ তারাই চরম বৈষম্যের শীকার। এই সরকার বিদ্যমান বৈষম্য কে দুর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন অথচ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিসমূহ মেনে নিতে শ্রম সংস্কার কমিশন গঠন ছাড়া সরকারের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান নেই, শ্রম সংস্কার কমিশন সরকারের কাছে ৪ মাস পূর্বে তাদের সুপারিশ দাখিল করেছে কিন্তু এখনো সেই সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেনি সরকার। শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া বৈষম্য বিলোপের চিন্তা বাতুলতা মাত্র। তাই, সরকারের মৌলিক প্রতিশ্রুতিপূরণের জন্যই তাদের জীবনের সাথে নিবিড় ভাবে সম্পর্কিত স্কপের ৯ দফা সরকার কে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ-স্কপ’র পক্ষ থেকে নিম্নোক্ত দাবিসমুহ সরকারের কাছে উত্থাপন করতে এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়ঃ
১। আইনি সুরক্ষা দিয়ে জাতীয় ন্যুনতম মজুরী ঘোষণা, স্থায়ী মজুরী কমিশন গঠন, গনতান্ত্রিক শ্রম আইনসহ স্কপের ৯ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে।
২। বন্দর ও করিডোর বিদেশীদের দেয়ার পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।
৩। স্থায়ী পদে অস্থায়ী নিয়োগ বন্ধ করে আউট সোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মরত শ্রমিকদের চাকুরি স্থায়ী করতে হবে।
৪। বন্ধ সকল কারখানা চালু করতে হবে।
৫। শ্রমিক ছাঁটাই, নির্যাতন বন্ধ, বকেয়া মজুরির দাবীতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধ করে বকেয়া মজুরী পরিশোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৬। কর্মক্ষেত্রে নিহত আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ আইএলও কনভেনশন ১২১ এর আলোকে নির্ধারণ করতে হবে।
৭। শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।
Helpline - +88 01719305766